বাংলা ব্লগিংয়ে নতুনদের জন্য সহজে র্যাংক পাওয়ার টিপস
বাংলা ব্লগ সহজে র্যাংক করার উপায় নতুন আর্টিকেল রাইটাররা কে না জানতে চায়। তাই কিভাবে সহজে বাংলা ব্লগ গুগলে র্যাংক করানো যায় তা আজকের এই আর্টিকেলে সহজে জানার চেষ্টা করবো। গুগলে সহজে বাংলা ব্লগ র্যাংক করানোর জন্য আমাদের কিছু সাধারণ পদ্ধতি বা ট্রিকস ব্যাবহার করতে হবে।
আর্টিকেল র্যাংক করার জন্য পূর্বশর্ত হচ্ছে কম প্রতিযোগিতা সম্পুর্ন লং টেইল কিওয়ার্ড ব্যাবহার করা, ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিড বাড়াতে হবে এবং মেটা ডেসক্রিপশন, টাইটেল ইত্যাদিতে কিওয়ার্ড ব্যাবহার করতে হবে। আরো যেসব বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে তা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
সূচিপত্রঃ বাংলা ব্লগ সহজে র্যাংক করার উপায়
- একটি কম প্রতিযোগিতামূলক নিশ নির্বাচন করা
- কম প্রতিযোগিতামূলক লং টেইল কিওয়ার্ড ব্যাবহার করা
- মানুষের আগ্রহ আছে এমন কন্টেন্ট লিখা
- অন পেজ SEO ভালোভাবে করা
- ওয়েবসাইটের লডিং স্পিড বাড়ানো
- মোবাইল ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট তৈরি করা
- ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে
- নিয়মিত আর্টিকেল লিখা ও পাবলিশ করা
- সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্লগ মার্কেটিং করা
- পরিশেষে
একটি কম প্রতিযোগিতামূলক নিশ নির্বাচন করা
বাংলা ব্লগ সহজে র্যাংক করার উপায় হচ্ছে একটি কম প্রতিযোগিতামূলক নিশ
নির্বাচন করা। বর্তমান সময়ে ব্লগিং এ প্রতিযোগিতা বেশি থাকার কারনে সঠিক নিশ
নির্বাচন করা একটি গুরুত্বপূর্ন কাজ। অনেকের সঠিক গাইড লাইন না থাকার কারনে সঠিক
নিশ নির্বাচন করতে পারে না। ফলে বেশি প্রতিযোগিতা মূলক নিশ নেওয়ার কারনে তাদের
ব্লগ র্যাংক করাতে কষ্ট হয়। তাই সঠিক নিশ নির্বাচন করা ব্লগ রাংক করানোর জন্য
অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়। তাই বেশি কথা না বলে আসুন জানি আপনিও আপনার
ব্লগ র্যাংক করার জন্য কিভাবে কম প্রতিযোগিতামূলক নিশ নির্বাচন করতে পারেন।
নিশ সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি হলো এক্সাক্ট নিশ ও অপরটি হলো র্যান্ডম
নিশ। এক্সাক্ট নিশ বলতে আমরা বুঝে থাকি কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর তৈরি করা
ওয়েবসাইট। যেমন উদাহরন সরুপ আপনি যদি খেলাধুলার আপডেট এর জন্য ওয়েবসাইট বানান
তাহলে আপনাকে শুধু খেলাধুলা বিষয়েই লেখালেখি করতে হবে তাহলে সেটি হবে আপনার
এক্সাট নিশ। আর আপনি যদি খেলাধুলার পাশাপাশি অনান্য যেমন স্বাস্থ, চিকিৎসা
ইত্যাদি ক্যাটাগরি একসাথে একই ওয়েবসাইটে পাবলিশ করেন তাহলে তা আর এক্সাট নিশ
ওয়েবসাট থাকবেনা। তাই বুঝতেই পারছেন যে এক্সাট নিশ ওয়েবসাইট বলতে আমরা কি বুঝে।
তবে নতুনদের জন্য পরামর্শ থাকেবে যে শুরুর দিকে এক্সাট নিশ নিয়ে কাজ না করা।
আরোও পড়ুনঃ হজম শক্তি হ্রাস পাওয়ার কারন ও প্রতিকার
যেসকল ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট কোনো বিষয় নিয়ে লেখালেখি করা হয়ে না তাকে বলা হয়
র্যান্ডোম নিশ। যেমন আপনি একই সাথে আপনার একটি ওয়েবসাইটে একাধিক বিষয়
যেমনঃ সুস্বাস্থ ও চিকিৎসা, প্রবাস ভ্রমন গাইড, তথ্য ও
প্রযুক্তি, অনলাইন ইনকাম ইত্যাদি বিষয় এক সাথে পাবলিশ করে থাকেন তাহলে তাকে বলা
হয়ে থাকে র্যান্ডোম নিশ ওয়েবসাইট। বিভিন্ন পারদর্শি ট্রেইনাররা নতুন ব্লগারদের
জন্য র্যান্ডোম নিশ ওয়েবসাইটে কাজ করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কারন
র্যান্ডোম নিশ ওয়েবসাইটে আপনি একাধিক বিষয়ে লেখার জন্য কম প্রতিযোগিতা কিওয়ার্ড
রিসার্চ করতে পারবেন। তাই আপনি যদি এখন ব্লগিং শুরু করতে চান তাহলে আপনার জন্য
ভালো হবে র্যান্ডোম নিশ নির্বাচন করে কাজ শুরু করা।
কম প্রতিযোগিতামূলক লং টেইল কিওয়ার্ড ব্যাবহার করা
বাংলা ব্লগ সহজে র্যাংক করার উপায় এর মধ্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন বিষয় হচ্ছে কম
প্রতিযোগিতা মূলক লং টেইল কিওয়ার্ড ব্যাবহার করা। কম প্রতিযোগিতামূলক লং
টেইল কিওয়ার্ড ব্যাবহার করার পূর্বে আমাদের জানতে হবে লং টেইল কিওয়ার্ড কি।
সাধারণ লং টেইল কিওয়ার্ড হচ্ছে ৩-৫ শব্দ অথবা ৫-৮ শব্দের কোনো কিওয়ার্ড। যেমনঃ
গ্রিন টি- এটি হচ্ছে একটি শর্ট টেইল কিওয়ার্ড কিন্তু আদা দিয়ে গ্রিন টি
খাওয়ার উপকারিতা- এটি হচ্ছে একটি লংটেইল কিওয়ার্ড। এখন প্রশ্ন থাকতে পারে যে
আমরা কেন শর্ট টেইল কিওয়ার্ড ব্যাবহার না করে লংটেইল কিওয়ার্ড ব্যাবহার করবো। এর
সহজ উওর হচ্ছে শর্ট টেইল কিওয়ার্ড এর চাইতে লং টেইল কিওয়ার্ড এর তুননা মূলক
প্রতিযোগিতা কম থাকে। তাই নতুনদের জন্য শর্ট টেইল কিওয়ার্ড ব্যাবহার করাই উত্তম।
গুগলে ব্লগ লেখার নিয়ম নামক আর্টিকেলও বলা হয়েছে যে নতুনদের জন্য লং টেইল
কিওয়ার্ড ব্যাবহার করা উত্তম। তাই আসুন জানি আমরা কিভাবে সহজেই লং টেইল কিওয়ার্ড
খুঁজে বের করবো। তবে এক্ষেত্রে লক্ষ রাখতে হবে যে অবশ্যই যে কিওয়ার্ড নির্বাচন
করবেন তার প্রতিযোগিতা যেন কম হয়। এইসকল সংশ্লিষ্ট বিষয় আমরা নিচে দেওয়া ছবির
মাধ্যমে জানার চেষ্টা করবো।
আমরা যখন গুগলে শর্ট টেইল কিওয়ার্ড গ্রিন টি লিখে সার্চ দিবো তখন গুগল আমাদের
উপরের ছবির মতো কিছু সাজেশন দিবে। মূলত ৫-৮ শব্দের যেসকল কিওয়ার্ড থাকবে ওইগুলই
হচ্ছে আমাদের লং টেইল কিওয়ার্ড। এখন আমাদের খুঁজে বের করতে হবে কোন কিওয়ার্ডে
প্রতিযোগিতা কম। প্রতিযোগিতা দেখার জন্য ছবির ডান পাশে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে
About নামক একটি লাল ঘোর যুক্ত করা আছে। সেইখানে যত কম সংখা থাকবে তত ভালো। এইসব
কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য অনেক টুলস রয়েছে সেগুলো ব্যাবহার করেও আপনি কিওয়ার্ড
খুঁজতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন যে আপনার কিওয়ার্ড এর প্রথম পেজে নিউজ পেপার
যুক্ত ওয়েবসাইট এড়িয়ে চলার।
মানুষের আগ্রহ আছে এমন কন্টেন্ট লিখা
বাংলা ব্লগ সহজে র্যাংক করার উপায় হচ্ছে মানুষের আগ্রহ আছে এমন কন্টেন্ট
লিখা। আমাদের সব সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যে আমাদের এমন ব্লগ লিখতে হবে যা
মানুষের প্রয়োজনে আসে এবং তা দীর্ঘ সময় ধরে মানুষের কাজে আসে। যারা নতুন
ব্লগ লেখেন তাদের বেশিরভাগ একই সমস্যা যে তারা কিওয়ার্ড রিসার্চ না করে আর্টিকেল
লিখে থাকে যা মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কোন কাজে আসে না অথবা উক্ত ব্লক পড়ার
পাঠকদের প্রয়োজনই পড়ে না। এ সকল ব্লগ কখনোই গুগলে র্যাংক করানো সম্ভব
নয়। তাই আমাদের সব সময় এমন ব্লগ লিখতে হবে যা মানুষের আগ্রহ আছে এবং
দৈনন্দিন জীবনে কোন না কোন প্রয়োজনে আসে। এ সকল ব্লক খুব সহজেই রাংক করানো যায়।
তাই আসুন আমরা জানার চেষ্টা করি পাঠকদের আগ্রহ আছে এমন ব্লক আমরা কিভাবে খুজে বের
করব এবং লিখব। পাঠকের আগ্রহ আছে এমন ব্লক খুজে বের করার সবচেয়ে সহজ কিছু নিয়ম
হচ্ছে সময়ের সাথে বিভিন্ন ট্রেন্ডস ফলো করা। বিভিন্ন ট্রেনস ফলো করতে
আমরা বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করতে পারি। যেমনঃ কিওয়ার্ড রিসার্চ করা, গুগল
ট্রেন্ডস ব্যাবহার করা, বিভিন্ন সোশাল মিডিয়া ফলো করা ইত্যাদি। এ সকল মাধ্যম
ব্যবহার করে আমরা খুব সহজে জানতে পারবো যে বর্তমান সময়ে পাঠকদের আগ্রহ আছে এমন
বিষয়গুলো। উক্ত বিষয়গুলো নিয়ে কিওয়ার্ড রিসার্চ শেষ করে তথ্যবহুল একটি
আর্টিকেল লিখতে হব।
অন পেজ SEO ভালোভাবে করা
বাংলা ব্লগ সহজে র্যাংক করার উপায় হচ্ছে অন পেজ SEO ভালোভাবে করা। একটি
ব্লগকে গুগলে র্যাংক করানোর জন্য অন পেজ SEO এর ভুমিকা অতুলনীয়। অন পেজ SEO
ব্যাতিত গুগলে ব্লগ রাংক করানো কখনোই সম্ভব নয়। তাই আমাদের জানতে হবে যে আমরা খুব
সহজেই ভালোভাবে আমাদের ব্লগে অন পেজ SEO করবো। উক্ত কাজের জন্য আমাদের
কয়েকটি ধাপ রয়েছে সেই ধাপগুলো এখন আমরা জানার চেষ্টা করবো। এর জন্য আমাদের
সর্বপ্রথম লক্ষ্য রাখতে হবে যে পোস্ট টাইটেল বা শিরোনাম অবশ্যই পাঁচ থেকে আট
শব্দের মধ্যে হতে হবে। এমন ভাবে পোস্ট টাইটেল বা শিরোনাম লিখতে হবে যা
দেখতেই পাঠকগন পড়তে চাইবে।
যে বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে তা হচ্ছে লেখার শুরুতেই ফোকাস কিওয়ার্ড ব্যবহার
করতে হবে। ফোকাস কিওয়ার্ড বলতে আমরা বুঝি যে সকল কি লং টেইল কিওয়ার্ড আমরা
রিসার্চ করেছি সে সকল কিওয়ার্ডকে লেখার শুরুতেই ব্যাবহার করতে হবে। লেখা
শুরুতেই একটি ভূমিকা ব্যাটন ব্যবহার করতে হবে। ভূমিকা বাটন কে অবশ্যই অন্য
রিলেটেড কিওয়ার্ড হতে হবে এবং উক্ত কিওয়ার্ড ৫ থেকে ৮ শব্দের বেশি হওয়া
যাবেনা। এরপর যে বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে তা হচ্ছে পেজ সূচিপত্র তৈরি করতে হবে।
পেস্ট সূচিপত্রের সর্বনিম্ন দশটি পয়েন্ট উল্লেখ রাখতে হবে। যেমন আপনি যে
বিষয়ে লিখছেন সে বিষয়ে ১০ টি ধারাবাহিক বিষয়বস্তু লিখতে হবে। প্রথম
সূচুপত্রের বিষয়বস্তুকে অবশ্যই ফোকাস কিওয়ার্ড ব্যাবহার করতে হবে।
আরোও পড়ুনঃ ২০২৫ সালের আরবি মাসের ক্যালেন্ডার
এরপর যে বিষয় লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন তা হচ্ছে পোস্টের URL অবশ্যই ফোকাস কিওয়ার্ড
অনুযায়ী মোডিফাই করে ২-৩ শব্দের মধ্যে ইংরেজিতে লিখতে হবে। পোস্টের URL
উক্ত ব্লগকে র্যাংক করাতে অনেক সাহায্য করে থাকে। তারপর প্রত্যেক আর্টিকেলে
সর্বনিম্ন তিনটি আরোও পড়ুন সেকশন অ্যাড করতে হবে। এই গুলো হচ্ছে সাধারণ SEO
আমাদের ব্লগকে র্যাংক করানোর জন্য আরো অনেক প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ন
বিষয়বস্তু আছে যেগুলো লক্ষ্য রাখা এবং পালন করা আবশ্যিক। আপনি যদি আপনার ব্লগকে
র্যাংক করাতে চান সেবং উক্ত ব্লগ থেকে কি ধরনের আয় হয় বা হবে তা
সম্পূর্ন নির্ভর করবে আপনার অন পেজ SEO এর উপর। তাই এই বিষয় অত্যান্ত
গুরুত্বপূর্ন।
ওয়েবসাইটের লডিং স্পিড বাড়ানো
বাংলা ব্লগ সহজে র্যাংক করার উপায় এর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপুর্ন বিষয়
হচ্ছে ওয়েবসাইটের লডিং স্পিড বাড়ানো। যদি আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং
স্পিড অত্যন্ত ধীরগতি হয় তাহলে আপনার বাউন্স রেট যাবে এবং আপনার ওয়েবসাইট এর
র্যাংক দিন কমতে থাকবে। তাই আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইট গুগলে র্যাংক করাতে চান
তাহলে অবশ্যই আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিড বাড়াতে হবে। এমন বিভিন্ন
কারণ আছে যার কারণে ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিড কমে যায়। উক্ত কারণসমূহ এবং এর
সমাধান সম্পর্কে সংক্ষেপে চেষ্টা করা হলো।
ওয়েবসাইট লোডিং স্পিড বাড়ানোর জন্য অন্যতম এক মাধ্যম হচ্ছে ইমেজ সঠিক ফরমেটে
আপলোড করা। না বুঝেই তাদের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ফরমেট এর ইমেজ ব্যবহার করে থাকে
তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে JPEG,PNG ইত্যাদি। এ সকল ইমেজ লোড হতে অনেক সময় লাগে
যার ফলে ওয়েবসাইটের পারফরম্যান্স হ্রাস পায়। এর থেকে বাঁচার জন্য আমরা উক্ত
ফরমেট এর পরিবর্তে WEBP ফরম্যাট ব্যবহার করতে পারি। WEBP ইমেজ মেগাবাইটের
সংখ্যা কম হওয়ার কারণে খুব তাড়াতাড়ি লোড হয়। এছাড়াও ওয়েবসাইটের
স্পিড বাড়ানোর জন্য আমরা ওয়েবসাইটের সেটিংস থেকে লেজি লোডিং চালু করতে
পারি। লেজি লোডিং চালু করার ফলে ইমেজগুলো তাড়াতাড়ি লোড হবে।
তাছাড়া ওয়েবসাইটের স্পিড বাড়ানোর জন্য অন্যতম বিশেষ মাধ্যম হচ্ছে দ্রুতগতির
অথবা এমন হোস্টিং ব্যবহার করা যার স্পিড অনেক ভালো। এক্ষেত্রে আমরা HDD হোস্টিং
এর পরিবর্তে SSD যুক্ত হোস্টিং ব্যবহার করতে পারি। স্পিড অনেক ভালো হয় যার ফলে
ওয়েবসাইট তাড়াতাড়ি লোড হয়। তাছাড়াও আমাদের এমন থিম ব্যবহার করতে হবে যাতে
কোন অতিরিক্ত HTML কোড না থাকে। অতিরিক্ত কোট থাকার ফলেও ওয়েবসাইটের পিট কমে
যায়। ওয়েবসাইটে পারফরম্যান্স বৃদ্ধির জন্য অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে মোবাইল
ফ্রেন্ডলি থিম ব্যবহার করা। কারণ পিসির চাইতে মোবাইল ইউজার বর্তমানে বেশি।
এইসকল মাধ্যম ব্যতীত আরোও অনেক মাধ্যম আছে যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটের লডিং
স্পিড বাড়ানো সম্ভব।
মোবাইল ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট তৈরি করা
গুগলের মতে বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মানুষ মোবাইলের মাধ্যমে ওয়েবসাইটসমূহ ভিজিট
করে থাকে। তাই আপনার ওয়েবসাইট যদি মোবাইল ফ্রেন্ডলি না হয়ে থাকে তাহলে আপনার
ওয়েবসাইটের ভিজিটরের সংখ্যা দিন দিন কমে যাবে এবং যার ফলে আপনার ওয়েবসাইট
কখনোই গুগলের রাংক করানো সম্ভব হবে না। তাই ওয়েবসাইট তৈরির সময় অবশ্যই লক্ষ্য
রাখতে হবে যে আপনি যে থিমটি ব্যবহার করছেন সেই থিমটি মোবাইল ফ্রেন্ডলি কি না।
বিভিন্ন মাধ্যম রয়েছে যে মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন যে
আপনার থিমটি মোবাইল ফ্রেন্ডলি কি না। উক্ত থিমটি মোবাইল ফ্রেন্ডলি না হয়
তাহলে সেই থিম না ব্যবহার না করাই উত্তম এবং মোভাইল ফ্রেন্ডলি একটি থিম
ব্যাবহার করতে হবে। যে কোন প্লাটফর্ম থেকে ব্লগ তৈরি করা যায় না কেন
আপনার ওয়েবসাইট এর থিমটি অবশ্যই মোবাইল ফ্রেন্ডলি হতে হবে।
আরোও পড়ুনঃ অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের সহজ নিয়ম
এখন আমরা জানার চেষ্টা করব খুব সহজেই কিভাবে মোবাইল দিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি
করতে পারেন। মোবাইল ফ্রেন্ড ওয়েবসাইট তৈরি করার পূর্বে অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন
যে আপনি যে থিমটি ব্যবহার করেন না কেন তা লেআউট যেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে মোবাইলের
আকার অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়ে যায়। গুগলে অনেক ধরনের টুলস আছে যেগুলো ব্যবহার
করে আপনি সহজেই চিনি তো করতে পারেন যে আপনার তিনটি মোবাইল ফ্রেন্ডলি কিনা।
মোবাইলের জন্য আপনার ফিচার ইমেজ গুলো মডিফাই বা অপটামাইজ করতে হবে। উপরে যে
আলোচনা করা হয়েছে সেগুলো হচ্ছে মোবাইল ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট তৈরি করার অতি
সাধারণ কিছু পদ্ধতি। আপনি যদি বাংলা ব্লগ সহজে র্যাংক করার উপায় ব্যাবহার করেন তাহলে এর পাশাপাশি আপনাকে অবশ্যই অ্যাডভান্স কিছু নিয়ম কারণ পালন করতে হবে।
ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে
ব্যাক লিংক কি তা সহজে জানার জন্য আমরা বলতে পারি যে ব্যাকিং হচ্ছে এমন একটি
লিংক যার মাধ্যমে অন্য ওয়েবসাইট থেকে আপনার ওয়েবসাইটে আসে। ব্লগ গুগলে
র্যাংক করানোর জন্য ব্যাক লিঙ্ক এর ভূমিকা অনেক। ব্যাক লিংক এর ফলে আপনার
ওয়েবসাইটের ডোমেইন অথোরিটির সংখ্যা বাড়ে যার ফলে আপনার ওয়েবসাইটটি অতি দ্রুত
গুগলের রেংক করাতে সাহায্য করে। তাই আসুন কিভাবে অতি সহজে ব্যাক লিংক তৈরি করা
যায় তা নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করার চেষ্টা করি। ব্যাক লিংক সাধারণত চার
ধরনের হয়ে থাকে। উক্ত ব্যাংক লিংক গুলো কিভাবে তৈরি করতে হয় তার সংক্ষিপ্ত
বিবরন দেওয়া হলো।
ব্যাক লংক তৈরি করার অতি সাধারণ একটি পদ্ধতি হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট ব্যতীত অন্য
কোন ওয়েবসাইটে পোস্ট লিখে সেই পোস্টে আপনার ওয়েবসাইটে লিংক এড করা। এ
পদ্ধতিকে বলা হয় গেস্ট পোস্টিং। এরপর আরেকটি অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে বিভিন্ন
সোশ্যাল মিডিয়ায় যেমন ফেসবুক গ্রুপ, Quora, Reddit ইত্যাদিতে আপনার
ওয়েবসাইটের লিংক এড করা। এক্ষেত্রে আপনি বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করতে পারেন
তবে ভালো হবে উক্ত প্লাটফর্ম গুলোর কমেন্ট সেকশনে ব্যাক লিংকগুলো যুক্ত করা।
তাছাড়াও এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোর কিছু পেজ ৪০৪ থাকে। উক্ত
ওয়েবসাইট এত সাথে যোগাযোগ করে আপনি আপনার সাইটের লিংক ব্যাল লিংক হিসেবে যুক্ত
করতে পারেন।
নিয়মিত আর্টিকেল লিখা ও পাবলিশ করা
ব্লক গুগলে র্যাংক করানোর জন্য অন্যতম ও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে
নিয়মিত আর্টিকেল লিখা। অনেক নতুন ব্লগার আছে যারা নিয়মিত আটিকার লিখে না।যেমন
নিয়মিত আর্টিকেল বলতে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি অথবা দুইটি এর চাইতে
বেশি হলে আরো ভালো আর্টিকেল সময় মত পাবলিশ করা। কিন্তু অনেক নতুন ব্লগার
রয়েছে যারা সময় করে নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ করে না। যার ফলে তাদের
ওয়েবসাইটের ডোমেইন অথরিটি কমে যায় এবং গুগলের র্যাংকিং সিস্টেম থেকে পিছনে
পড়ে যায়। যার ফলে বাংলা ব্লগ সহজে র্যাংক করার উপায় কাজে আসেনা ও পরবর্তীতে তাদের ব্লগ র্যাংক করাতে অনেক কষ্ট হয়।
ওয়েবসাইটে নিয়মিত ব্লক পোস্ট করার অনেক সুবিধা রয়েছে। যেমন পাঠকের সংখ্যা
দিন দিন বৃদ্ধি পায়, ওয়েবসাইটের ডোমেইন অথরিটি বৃদ্ধি পায় ইত্যাদি। আপনি যত
বেশি কনটেন্ট ব্লগ লিখবেন আপনার আয় ও তত বৃদ্ধি পাবে। তাই আমাদের জানা উচিত
কিছু সহজ উপরের মাধ্যমে কিভাবে নিয়মিত ব্লগ লিখতে হয়। নিয়মিত কনটেন্ট
লিখার জন্য আপনি একটি নির্দিষ্ট সময় বেছে নিতে পারেন। এই সময় আপনি কনটেন্ট
গুলো লিখবেন এবং ফিচার ইমেজ গুলো তৈরি করে রাখবেন। কম প্রতিযোগিতামূলক লং টেল
কি ওয়ার্ড ব্যবহার করে কনটেন্ট লিখতে হবে। যেদিন আপনি বেশি সময় পাবেন সেই দিন
আপনি পরিমাণের চাইতে বেশি কনটেন্ট লিখে রাখতে পারেন। এর ফলে অনেক সময় বেঁচে
যাবে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্লগ মার্কেটিং করা
ওয়েবসাইটের ডোমেইন অথরিটি বৃদ্ধি করতে এবং ওয়েবসাইটের পাঠকের সংখ্যা বৃদ্ধি
করতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্লক মার্কেটিং করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্লগ মার্কেটিং না করলে শুধুমাত্র আপনার
ওয়েবসাইটের পাঠকের সংখ্যা দিয়ে আপনার কখনোই রেঙ্ক করানো সম্ভব হবে না।
কেননা সোশ্যাল মিডিয়ায় পাঠকের সংখ্যা অনেক বেশি থাকার কারণে সোশ্যাল
মিডিয়া ব্লক মার্কেটিং করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই আমাদের জানতে হবে
আমরা কিভাবে সহজেই বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্লগ মার্কেটিং করতে পারি।
সোশ্যাল মিডিয়া আমরা দুই ভাবে ব্লক মার্কেটিং করতে পারি একটি হচ্ছে ফ্রি
মার্কেটিং এবং অপরটি হচ্ছে পেইড মার্কেটিং। এই দুই মার্কেটিং সহজে আলোচনা
করার চেষ্টা করা হলো।
আমরা সবার আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফ্রি মার্কেটিং সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি।
বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া যেমন ফেসবুক গ্রুপ অথবা বিভিন্ন পেজে আমরা সরাসরি
আমাদের ওয়েবসাইটের লিংক ব্যাকলিংক হিসেবে যুক্ত করতে পারি। তাছাড়াও ইউটিউব,
ইন্সটাগ্রাম, টুইটার ইত্যাদিতে আমাদের ওয়েবসাইটের লিংক ব্যাক লিংক হিসেবে
যুক্ত করে সহজেই মার্কেটিং করতে পারি। তাছাড়াও আরো অনেক মাধ্যম রয়েছে যেমন
লিংকইন, পিন্টারেস্ট, মেডিয়াম ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেও আমাদের
ওয়েবসাইটের জন্য ব্লগ মারকেটিং করতে পারি। এর মাধ্যম গুলোর সম্পন্ন ফ্রিতে
আমরা করতে পারি। তাছাড়াও ফেসবুকে এড ম্যানেজারের মাধ্যমে অ্যাড রান করে আমরা
পেইড মার্কেটিং করতে পারি। তাছাড়া বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোতে টাকার
সাজে ব্লক মার্কেটিং করে থাকে।পরিশেষে
পরিশেষে
বাংলা ব্লগ সহজে র্যাংক করার উপায় হলো সঠিক উপায়, সঠিক মাধ্যম ও ধৈর্য ধারণ
করে নিয়মিত আর্টিক্যাল বা ব্লগ পাবলিশ করা। গুগলে ওয়েবসাইট কে রাঙ্কিং করার
জন্য অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে সঠিক নিশ নির্বাচন করা। সঠিক নিশ নির্বাচন না করলে
আমরা প্রতিযোগিতায় সফল ওয়েবসাইটকে পেছনের ফেলে কখনোই সামনে যেতে পারব না।
তাই অবশ্যই নিশ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সঠিক রিসার্চ ও পদ্ধতি অবলম্বন করা
আবশ্যিক। নতুন ব্লগার ওয়েবসাইট র্যাংক করানোর জন্য আমাদের অবশ্যই কম
প্রতিযোগিতামূলক লং টেইল কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। কেননা লং টেইল
কিওয়ার্ডে প্রতিযোগিতা অনেক কম থাকে এবং সহজে গুগলে র্যাংক করানো যায়।
আমাদের সব সময় যে বিষয়টি লক্ষ্য রাখতে হবে সেটা হচ্ছে পাঠকের প্রয়োজন
অনুযায়ী কনটেন্ট তৈরি করা। এমন কোন কনটেন্ট তৈরি করা যাবে না যে কনটেন্ট
বাস্তব জীবনে কোন কাজে আসে না অথবা পাঠকদের কোন প্রয়োজন পড়েনা। গুগল সব
সময় সে সকল কনটেন্ট কে অগ্রাধিকার দেয় এগুলো তথ্যসমৃদ্ধ ও প্রয়োজনীয়। তাই
লেখালেখির পূর্বে অবশ্যই আমাদের পাঠকদের প্রয়োজনের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
তাছড়াও আরেকটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে যে এআই ব্যাবহার করে লেখালেখি থেকে বিরত
থাকতে হবে। সব সময় তথ্য সম্পূর্ন ও SEO ফ্রেন্ডলি কন্টেন্ট নিয়মিত পাব্লিশ করলে
সহজেই তা র্যাংক করানো সম্ভব।
গ্লো আপ ফ্লো এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url