আদা দিয়ে গ্রিন টি খাওয়ার উপকারিতা

আদা দিয়ে গ্রিন টি অতিসাধারন একটি পানীয় মনে হলেও এর উপকারিতা লাখ টাকার চিকিৎসার সমানও হতে পারে যদি আদা দিয়ে গ্রিন টি পান করার সঠিক নিয়ম জেনে থাকেন। আদা দিয়ে গ্রিন টি নিয়মিত নিয়ম অনুযায়ী সেবন করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, হার্ট ভালো রাখার মতো বহুবিদ কাজ করতে সক্ষম।

আদাতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন বি-৬ এবং গ্রিন টি-তে থাকা ক্যাফেইন, এল থিয়ানিন, ও ট্যানিন এর মতো উপাদান আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। তাছাড়াও আদার অন্যতম গুনাগুন হচ্ছে হজম শক্তি ভালো রাখে, ঠান্ডা কাশি কামায় ইত্যাদি। এখন আমরা আদা দিয়ে গ্রিন টি খাওয়ার কিছু উপকারিতা সম্পর্কে জানবো।

সূচিপত্রঃ আদা দিয়ে গ্রিন টি খাওয়ার উপকারিতা 

আদা দিয়ে গ্রিন টি বানানোর রেসেপি

আদা দিয়ে গ্রিন টি উপকারিতে জানার আগে আমাদের জানতে হবে আদা দিয়ে গ্রিন টি ঘরে বসে তৈরি করে কিভাবে। কেননা কিভাবে সঠিক নিয়মে আদা দিয়ে গ্রিন টি তৈরি না করতে জানলে আমরা যতই নিয়ম মেনে পান করি না কেন তা কিন্তু আমাদের শরীরে ঠিক মত কাজ করবে না। তাই আসুন জানি সহজেই কিভাবে আদা দিয়ে গ্রিন টি তৈরি করবেন। এর জন্য প্রথমেই প্রয়োজন হবে এক টুকরো আদা ও গ্রিন টি এর একটি প্যাক বা পাতা।

প্রথমে একটি পাতিলে এক গ্লাস পরিমান পানি নিয়ে তা ফুটিয়ে নিতে হবে তারপর ফুটন্ত পানির ভেতর এক টুকরা আদা দিয়ে দিতে হবে। এ সময় কিছুক্ষন অপেক্ষা করতে হবে যাতে আদার নির্যাস বের হয়ে ভালোভাবে পানির সঙ্গে মিশে যায়। তারপর কিছু এক চা চামচ পরিমান গ্রিন টি সেই ফুটন্ত পানিতে দিয়ে আরোও কিছুক্ষন ফুটাতে হবে। আর যদি আপনি পাতা গ্রিন টি ব্যাবহার করেন তাহলে আদা দিয়ে ফুটানো পানি একটি গ্লাসে নিয়ে গ্রিন টি এর পাতা ভিজিয়ে রাখতে হবে। অতিরিক্ত ফ্লেভার পাওয়ার জন্য মধু বা লেবু যোগ করা যেতে পারে।

আদা দিয়ে গ্রিন টি খাওয়ার উপকারিতা

আদা দিয়ে গ্রিন টি খাওয়ার উপকারিতা জানলে আপনিও অবাগ হতে বাধ্য হবেন। আদার গুনাগুন এক আবার গ্রিন টি এর গুনাগুন আরেক। আদার মূল উপাদান সমূহ হচ্ছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন বি-৬ এবং গ্রিন টি এর মূল উপাদান সমূহ হচ্ছে ক্যাফেইন, এল থিয়ানিন, ও ট্যানিন। এই উপাদান সমূহ আমাদের শরীরের বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে থাকে। এখন আমরা সংক্ষিপ্ত ভাবে কিছু উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করার চেষ্টা করবো।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতেঃ বিভিন্ন কারণে ত্বকের লোমকূপ বন্ধ হয়ে থাকে এবং ব্যাকটেরিয়ার প্রভাব এর ফলে ত্বকে ব্রণ বা ডার্ক হওয়া লক্ষ্য করা যায়। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে আদা এবং গ্রিন টি এর উপকারিতা বেশ কার্যকরী। আদা গ্রিন টি তে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান ত্বকের বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে ও ত্বকে থাকা অতিরিক্ত তেল দূর করে ত্বকে হাইড্রেট ও উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেঃ মানব শরীরে বিভিন্ন কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পেয়ে থাকে।তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু কারণ হচ্ছে অনিয়মিত খাবার গ্রহণ, শরীর চর্চা না করা, অতিরিক্ত চিনি খাওয়া, অনিয়মিত অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ ইত্যাদি। সাধারণত আদা গ্রিন টি নিয়মিত ব্যবহারের ফলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এর পরিমাণ বেড়ে যায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অনেক সাহায্য করে থাকে।


তাছাড়াও আদা গ্রিন টি নিয়মিত গ্রহণের ফলে শরীরে বিভিন্ন রোগ সমূহ প্রতিরোধ করে থাকে তার মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য পয়েন্ট তুলে ধরা হলো। আদৌ গ্রিন টি নিয়মিত ব্যবহারের ফলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, মানসিক চাপ হ্রাস করে, শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখে, ও নিদ্রা থেকে মুক্ত করে, চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে, ও শরীরের ছোট খাটো প্রায় সকল ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ থেকে প্রতিরোধ করে থাকে।

আদা খেলে কি পেট ব্যাথা করে

আদা খেলে কি পেট ব্যাথা করে এটি সাধারণ মানুষের কাছে অতি সাধারণ একটি প্রশ্ন। আদা সরাসরি বা কোন কিছুর মিশ্রণে ব্যবহার করবে কারো না কারো কাছে এ প্রশ্ন এসেই থাকে। তাই আমরা এই অতি সাধারণ প্রশ্নের একটি ছোটখাটো ভাবে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করব। আধা সাধারণত পেট ব্যথার কারণ হয় না। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আদা গ্রহণের ফেলে পেট ব্যাথা হতে পারে তার মধ্যে অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে খালি পেটে আদা খাওয়া, আদার সাথে মসলাদার জাতীয় খাবার গ্রহণ করা, দিনে তিন গ্রামের বেশি আদা খাওয়া উচিত নয় এর বেশি হওয়ার ফলে পেট ব্যথা হয়ে থাকে।

আদা সাধারণত একটি উপকারে ভেষজ উদ্ভিদ। নিয়মিত ব্যবহারের ফলে এসিডিটির সমস্যা, পেটব্যথা হ্রাস করা, শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এর পরিমাণ বৃদ্ধি করা ইত্যাদির মত বহুল উপকারী কাজ সম্পাদন করে থাকে। তবে খালি পেটে আধা গ্রহণ, তৈলাক্তক বা মসলা  জাতীয় খাদ্যের সঙ্গে আদা খেলে তাছাড়াও অতি সংবেদনশীল পাকস্থলী হয়ে থাকলে আদা খেলে এটি সাময়িক সমস্যা বা পেট জ্বালাপোড়ার মতন সমস্যা হয়ে থাকে। তাছাড়া আধা সাধারণত স্বাভাবিক সুস্থ শরীরে কোন বিরূপ প্রভাব ফেলে না বা বিস্তার করে না।

গ্রিন টি খেলে কি ত্বক ফর্সা হয়

ট্রেনটি খেলে কি ত্বক ফর্সা হয় এমন প্রশ্ন করে নিয়ে এমন সাধারন মানুষ খুঁজে পাওয়া খুবই মুশকিল।তাই আসুন জানি গ্রিন টি খেলে কি আসলে ত্বক ফর্সা হয় কিনা এর সঠিক বিজ্ঞান ভিত্তিক আলোচনা।নিয়মিত গ্রিন টি খেলে আসলেই ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে কিন্তু ত্বক বা দেহের রং পরিবর্তন করতে পারে না। যেমনঃ গ্রিন নিয়মিত ছেলে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে থাকে যেমন ব্রণের দাগ দূর করে, কালচে ভাব দূর করে, সূর্যের কারণে পড়া দাগ নিরাময়ের সাহায্য করে থাকে কিন্তু ত্বকের বা শরীরের রং পরিবর্তন করতে পারে না।

নিয়মিত ব্যবহারের ফলে ত্বকের ভিতরে থাকা টক্সিক পদার্থসমূহ বের করে ফেলে এবং তার ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে। যার ফলে ত্বকে থাকা বিভিন্ন প্রকারের সমস্যার সমাধান করে থাকে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ব্রণের দাগ, কালচে ভাব, বয়সের ছাপের মতো বহুবিধ ত্বকের সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করে। তবে এটা সত্য যে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করলেও ত্বকের রং পরিবর্তন কখনোই করতে পারে না। তাই আপনি যদি গায়ের রং এর পরিবর্তন করার জন্য গ্রিন টি ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এটি আপনার জন্য অবশ্যই একটি ভুল সিদ্ধান্ত।

ওজন কমাতে কিভাবে গ্রিন টি খেতে হয়



স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তিরা সাধারণত ওজন কমানোর জন্য গ্রিন টি নিয়মিত সেবন করে থাকে বা গ্রহণ করে থাকে। কিন্তু সঠিক নিয়ম না জানার কারণে অথবা একজন অভিজ্ঞ লোকের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রিন টি নিয়মিত ব্যবহার করেও কোনো ফলাফল পায় না। যার কারণে অনেকে এটাও বিশ্বাস করে থাকে যে গ্রিন টি কখনো ওজন কমাতে সাহায্য করে না। এটি আসলে সম্পূর্ণ একটি মিথ্যা কথা। ওজন কমানোর জন্য কিভাবে গ্রিন টি খেতে হয় এর সঠিক ধারণা থাকলে আপনিও খুব সহজে কিছু নিয়ম মেনে চললে ওজন কমাতে সক্ষম হবেন।

ওজন কমানোর জন্য গ্রিন টি সকালে খাবারের পরে খাওয়া উত্তম। অনেকেই ক্ষেত্রে ভুল করে থাকে তারা মনে করে যে সকালে খাবারের আগে গ্রিন টি খেলে ওজন কমে। এটি আসলে সম্পূর্ণ একটি ভুল ধারণা কারণ গ্রিন টি তে থাকা ক্যাফেইন ও চ্যাটেচিন শরীরে মেটাবলিজম বাড়িয়ে ক্যালোরি বা চর্বি কমাতে সাহায্য করে এবং এর প্রক্রিয়াটি সকালে খাবারের পরে খুব ভালো কাজ করে। তাছাড়াও আপনি সকালে খাবারের পরে, দুপুরে খাবারের আগে অথবা পরে, শরীর চর্চা বা ব্যায়াম করার আগে অথবা পরে এবং ঘুমানোর আগে ভিডিওটি খেতে পারেন। এক্ষেত্রেও খুব ভালো ফলাফল পাওয়া সম্ভব বলে আশা করা যায়।


মানসিক চাপ কমাতে আদা দিয়ে গ্রিন টি 

মানসিক চাপ কমানোর জন্য আদা ও গ্রিন টি অতি সাধারণ একটি কথা মনে হলেও বাস্তবের প্রভাব বিজ্ঞান ভিত্তিক এবং মানসিক চাপ কমানোর জন্য খুবই কার্যকরী একটি ঘরোয়া উপায়। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, কাজের প্রেসার, পারিবারিক সমস্যা অথবা ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা ইত্যাদি কারণে মানুষের মস্তিষ্কে  ডোপামিন, কর্টিসল, সেরোটোনিন ইত্যাদি নামক কিছু হরমোন অতিরিক্ত মাত্রায় বৃদ্ধি পায় যার কারণে মানুষ হতাশা গ্রস্থ বা মানসিক চাপ এর মত সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকে।

আদা দিয়ে গ্রিন টি নিয়মিত খাওয়ার ফলে মানুষের শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এর পরিমান বৃদ্ধি পায় এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে থাকে। তাছাড়া আদাতে থাকা এক প্রকারের অ্যামিনো এসিড থাকে যা মস্তিষ্কে চাপ কমাতে সাহায্য করে থাকে এবং মস্তিষ্ক সতেজ বার রিল্যাক্স ফিল করতে সাহায্য করে। এটি মূলত মানসিক চাপ কমানোর জন্য মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে যে আদাও গ্রিন টি নিয়মিত খেলে মানসিক চাপ সাময়িকভাবে কমলেও তা সারা জীবনের জন্য মুক্ত হয় না তাই অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া হবে ভালো পরামর্শ তবে ঘরোয়াভাবে এটি হচ্ছে সবচেয়ে ভালো সমাধান বলে ধারণা করা যায়।

শরীরকে সুস্থ রাখতে 

শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তিরা গ্রিন টি নিয়মিত গ্রহণ করে থাকে এতে ফলাফল পাওয়া গেলেও এর সর্বোচ্চ ফলাফল পাওয়া যায় যখন আদা ও গ্রিন টি একসঙ্গে সেবন করা হয়। গ্রিনটিতে থাকা কিছু উপাদান সমূহ শরীরে বিভিন্ন অঙ্গবৃত্তীয় কাজে সহায়তা করে থাকে এবং শরীরকে সুস্থ রাখে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য উপাদান সংগ্রহ হচ্ছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন বি-৬, ক্যাফেইন, থিয়নিন ইত্যাদি। এসব উপাদানকে সুস্থ রাখতে খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।

আপনার লক্ষ্য যদি হয় আদা দিয়ে গ্রিন টি খাবেন শুধুমাত্র শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য তাহলে পানীয় পান করা সঠিক সময় হচ্ছে সকালে খাবারের পরে। কেননা মানুষের শরীরের মেটাবলিজম এর কার্যক্ষমতা সকালে খাবারের পর সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে ঠিক এই কারণেই সকালে খাবারের পরে আদা দিয়ে গ্রিন টি খেলে শরীরের মেটাবলিজম বৃদ্ধি পাবে যার ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক আছে বৃদ্ধি পেতে থাকবে। তাছাড়াও ওজন কমানো, মানসিক চাপ হ্রাস করা, ভালো ঘুম হওয়া ও শরীরকে সতেজ রাখার মত কাজ করে থাকে নিয়মিত আদা ও গ্রিন টি সেবনের ফলে।

আদা ও গ্রিন টি এর বিশেষ উপকারিতা


উপরের আলোচনা ব্যতীত এমন বহুল গুণাগুণ সমৃদ্ধ উপকারীতা আছে আদৌ গ্রিন টি নিয়মিত সেবনের ফলে। যার আলোচনা করতে গেলে আমাদের আজকের আর্টিকেলটি হয়ে যাবে অনেক বড় এবং তা পড়তেও বিরক্তিকর লাগতে পারে। তাই আজকের এই টপিক্স এ আমরা আলোচনা করার চেষ্টা করবো আদা ও গ্রিন টি এর বিশেষ উপকারিতা বা গুণাগুণ সম্পর্কে। আদ গ্রিন টি বিভিন্নভাবে সেবন করা যায় যেমন গরম পানিতে আদা মিশিয়ে পান অথবা অগ্রিমটি একসঙ্গে মিশিয়ে পান। আসল জানার চেষ্টা করি আদা গ্রিন টি একসঙ্গে মিশিয়ে পান করার বিশেষ কিছু উপকারিতা।

আদাতের গ্রিন টি নিয়মিত খেলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়, এর জ্বালা পোড়া বা পাকস্থলীর জ্বালাপোড়া হ্রাস পায়, ওজন কমাতে সাহায্য করে, মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে, ভালো ঘুম হওয়াতে সাহায্য করে, অতিরিক্ত রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে, ত্বকের ব্রণসহ যাবতীয় সমস্যা হ্রাস করে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তাছাড়াও আদা দিয়ে গ্রিন টি নিয়মিত সেবনের ফলে শরীরের বিভিন্ন যাবতীয় সমস্যা সমাধান করতে ও মেটালবলিজম ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে।

কারা এড়িয়ে চলবেন

প্রত্যেক জিনিসের যেমন উপকারী দিক রয়েছে ঠিক তেমনি তার রয়েছে ক্ষতিকর দিকও। ঠিক তেমনি আদা দিয়ে গ্রিন টি নিয়মিত সেবনের ফলে যেমন রয়েছে অসংখ্য উপকারি দিক ঠিক তেমনি রয়েছে কিছু ক্ষতিকর দিকও। আমরা যদি এই ক্ষতিকর দিকগুলো না জেনে ও বুঝে নিয়মিত অথবা অতিরিক্ত আদা দিয়ে গ্রিন টি গ্রহণ করে থাকি তাহলে আমাদের শরীরের উপকার চাইতে ক্ষতি সাধন হবে বেশি। আমাদের জানা উচিত কারা কারা আদা দিয়ে গ্রিন টি সেবন থেকে বিরত থাকবেন।


আচ্ছা তোর পাকস্থলীতে সমস্যা রয়েছে যেমন অল্পতে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বা গ্যাস হয়ে থাকে এমন ধরনের মানুষ আদা দিয়ে গ্রিন টি সেবন থেকে বিরত থাকবেন। তাছাড়াও অনেক মানুষ থাকে যাদের রক্তের কিছু সমস্যা থাকে  তারা আদা দিয়ে গ্রিন টি সেবন থেকে বিরত থাকবেন। তাছাড়াও আদা অথবা গ্রিনটিতে এলার্জিজনিত সমস্যা থেকে থাকলে আদা দিয়ে গ্রিন টি না খাওয়াই উত্তম। তাও যদি আপনার এটি সেবনে ইচ্ছা থাকে তাহলে অবশ্যই অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করতে হবে। 

পরিশেষে

আদা দিয়ে গ্রিন টি খাওয়ার উপকারিতা রয়েছে অনেক। নিয়মিত আদা দিয়ে গ্রিন টি সেবনের ফলে শরীরের অনেক সমস্যার বা রোগের প্রতিকার করা সম্ভব বলে ধারণা করা হয়ে থাকে এবং তা বিজ্ঞান ভিত্তিক ভাবেও অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রকৃতিতে এমন বহুৎ জিনিস রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে রূপ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা সহ শরীরের অনেক কার্যকরী ক্ষমতা বৃদ্ধি করা সম্ভব যেগুলো করতে ব্যায়বহুল চিকিৎসার সম্মুখীন হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

তবে মনে রাখতে হবে যে প্রত্যেকটা জিনিসের যেমন উপকার হয়েছে ঠিক তার অপব্যবহার ফলে তার ক্ষতিকর দিকও রয়েছে। তাই আমাদের অবশ্যই কোন জিনিস ব্যবহার করবে সতর্ক হতে হবে এবং অন্যকে সতর্ক করতে হবে। আদা দিয়ে গ্রিন টি ব্যাবহারের ফলে আমাদের শরীরের ওজন কমে, মানসিক চাপ হ্রাস পায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে, ব্রনের সমস্যা দূর হয় তাছাড়াও অনেক শরীরবৃত্ত কাজে সহায়তা করে থাকে। তাই যাদের আধা অথবা গ্রিন টি-তে উল্লেখযোগ্য কোনো সমস্যা নেই তারা এটি নিয়মিত ব্যবহারে ফলে লাখ টাকার চিকিৎসা থেকে মুক্তি পেতেও পারেন।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

গ্লো আপ ফ্লো এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url