তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ঘরোয়া ফেসিয়াল

আমাদের ত্বকের গ্রন্থিতে সিবাম নামক এক ধরনের প্রাকৃতিক তেল থাকে যার অতিরিক্ত উৎপাদনের ফলে আমাদের ত্বক তৈলাক্ত হয়ে থাকে। তৈলাক্ত ত্বকের নিয়মিত পরিচর্যা না করলে ত্বকে ব্রণের সমস্যা, কালচে দাগ পড়ার মতো ইত্যাদি সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে।

তৈলাক্ত ত্বক ঘরে বসেই ঘরোয়া কিছু উপাদান ব্যবহার করে দূর করা সম্ভব। তবে অতিরিক্ত ত্বকে তৈলাক্তক ভাব থেকে থাকলে অবশ্যই ডার্মাটোলজিস্টের বা ত্বকের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। তবে আমরা এখন তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ঘরোয়া ফেসিয়াল সম্পর্কে জানব।

সূচিপত্রঃ তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ঘরোয়া ফেসিয়াল

ত্বক তৈলাক্ত কেন হয়

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ঘরোয়া ফেসিয়াল করার আগে বুদ্ধিমানের কাজ হবে যে আমাদের ত্বক তৈলাক্ত হওয়ার আসল কারণটা কি সেটা জানা। আসলে মানুষের ত্বকের গ্রন্থিতে বা গুড়ায় এক প্রকারের তেল বা সিরাম থাকে যার নাম সিবাম। এই সিবাম এর অতিরিক্ত উৎপাদনের ফলে আমাদের ত্বক স্বাভাবিকের চাইতে অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব গ্রহণ করে থাকে। তাছাড়াও আমাদের বিভিন্ন বদ অভ্যাসের কারণে আমাদের ত্বকের এই সিবাম পরিমান বেড়ে যায়।

তাছাড়াও অনেক কারণ আছে যেগুলোর কারণে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব বৃদ্ধি পায় তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে টেস্টোস্টরন হরমোনের মাত্রা কখনো বৃদ্ধি পাওয়া আবার কখনো হ্রাস পাওয়া, জিনগত সমস্যা, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, ত্বকে ভুল মেকআপ প্রোডাক্ট বা সামগ্রী ব্যবহার করা, নিয়মিত না ঘুমানো, পরিমাণ মতো পানি পান না করা ইত্যাদি কারণেও ত্বক তৈলাক্ত হয়ে থাকে।

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ঘরোয়া ফেসিয়াল কি কাজ করে

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ঘরোয়া ফেসিয়াল করার আগে অবশ্যই আপনার মাথায় একটি প্রশ্ন এসে থাকবে যে বাজারে অনেক প্রোডাক্ট আছে যেগুলো ব্যবহার করলে তৈলাক্ত ত্বক ভালো করা যায়। তাহলে কেন আমরা তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ঘরোয়া ফেসিয়াল ব্যবহার করব বা এটি কি আসলেই কাজ করে। এর অতি সাধারণ একটি উত্তর হলো হ্যাঁ এটি কাজ করে এবং বাজারে পাওয়া সামগ্রীর মত কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই।

বাজারে প্রায় সবগুলো ত্বকের যত্নের প্রোডাক্টে মিনারেল অয়েল, পলিথিন গ্লাইকোল, সিলিকনের মতন অনেক ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়ে থাকে যা আমাদের ত্বকে সাময়িক সমস্যা প্রতিহিত করলেও পরবর্তীতে তা মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে থাকে। যেমন ত্বকে ব্রনের সমস্যা, কালো দাগ, মেসতা তাছাড়াও ক্যান্সারের মতন ভয়ংকর সমস্যার সম্মুখীনও করতে পারে। অন্যদিকে ঘরোয়া ফেসিয়াল পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়ায় ত্বকের তেল দূর করতে সাহায্য করে এবং ত্বক সুস্থ রাখে।

ত্বক পরিষ্কার রাখার টিপস

তৈলাক্ত ত্বক সুস্থ রাখার জন্য অন্যতম একটি মাধ্যম হচ্ছে ত্বক সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। এতে করে ত্বকে অতিরিক্ত তেল জমতে বাধা দিবে এবং ত্বককে সুস্থ ও তৈলাক্ততা ভাব দূর করবে। ত্বক পরিষ্কার রাখার অনেক ঘরোয়া পদ্ধতি রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে ঘরে কিছু জিনিস ব্যবহার করে বাহ্যিক খরচ ছাড়াই পরিষ্কার রাখা যায়। সেগুলোর কিছু গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম নিচে তুলে ধরা হলো।


ত্বকে পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখতে অতীত কাল থেকে মানুষ তাকে গোলাপ জল ব্যবহার করে আসছে।মোট সাধারণ পানি দিয়ে ভালোভাবে ধোয়ার পর সামান্য পরিমাণ গোলাপ জল ব্যবহার করলে ত্বকের ময়লা ভাব দূর হয়ে যায়। তাছাড়াও কাঁচা হলুদ ত্বক পরিষ্কারের জন্য খুবই উপকারী হিসাবে গণ্য করা হয়। কাঁচা হলুদের থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া গুলো ধ্বংস করে দেয় তাহলে ত্বকে ব্রনের মতো সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। 

ত্বক স্ক্রাব করার নিয়ম

ত্বকের তৈলাক্ত ভাব নিরাময়ের জন্য অন্যতম একটি মাধ্যম হচ্ছে ত্বক স্ক্রাব করা। বিশেষ করে মেয়েদের কাছে এটি একটি অতি সাধারণ ফেসিয়াল হিসেবে গণ্য করা হলেও ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করার জন্য তসস্ক্রাব করা হতে পারে একটি অনন্য সমাধান। আমরা সহজে ঘরে থাকা কিছু সামগ্রী যেমনঃ বেসন, কাচা দুধ, লেবু, মধু ইত্যাদি ব্যবহার করে খুব সহজেই ত্বক স্ক্রাব করতে পারি।
বেসন ও কাচা দুধের পেস্ট তৈরি করে আমাদের ত্বকে ভালোভাবে কিছুক্ষণ স্ক্রাব বা মাসাজ করে ধুয়ে ফেললে সাথে সাথে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করে ত্বককে উজ্জ্বল ও মসৃন করতে সাহায্য করে। অতীত কাল থেকে এ পদ্ধতি অতি জনপ্রিয় ও কার্যকরী। একইভাবে বেসনের সাথে লেবু অথবা মধু মিশ্রণ করে তাকে আলতোভাবে স্ক্রাব করলেও ঠিক একই ফলাফল পাওয়া যায়। এখন জানি উপকারগুলো কিভাবে ব্যবহার করতে হয়। একটি বাটিতে দুই থেকে তিন টেবিল চামচ বেসর ও এর সাথে এক থেকে দুই টেবিল চামচ কাঁচা দুধ মিশিয়ে ভালোভাবে পেস্ট তৈরি করতে হবে। তাছাড়া আপনি আপনার প্রয়োজন মত পরিমাণ বাড়াতে অথবা কমাতে পারেন।

ত্বকের তেল কমানোর নিনজা টেকনিক

ত্বকের তেল কমানোর জন্য অনেক পদ্ধতি রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে ঘরে বসে খুব সহজে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য এবং সবচেয়ে বেশি কার্যকরী এমন কিছু পদ্ধতি আজকের এই টপিক'সে তুলে ধরা হবে। ত্বকে গোলাপ জলে স্প্রে করা হচ্ছে ত্বকে তৈলাক্ত ভাব দূর করা একটি অতি কার্যকরী পদ্ধতি। তাছাড়া গরম পানিতে পুদিনা পাতা অথবা গ্রিন টি এর ভাপ নেওয়া যাকে বলা হয়ে থাকে স্টিমিং এটিও ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ধরা হয়ে থাকে।

তাছাড়া কফি ও টক দই এর মিশ্রণ করে ত্বকে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিয়ে শুকিয়ে যাওয়ার পর তোলা হলে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করা থেকে শুরু করে ব্ল্যাকহেড এবং হোয়াইটহেড এর মত ত্বকের অতি সাধারন সমস্যা গুলো এক নিমিষে সমাধান করে থাকে। তবে আপনি টক দই এর বদলে মিষ্টি দই ব্যবহার করতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন অনেকের ত্বকে মিষ্টি দই এলার্জি ঠিক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে তাই সরাসরি ত্বকের ব্যবহারে পূর্বে পরীক্ষা করে নেওয়া উত্তম।

ত্বকের তেল কমানোর জন্য আলোভেরার ব্যাবহার

অতীতকাল থেকে অ্যালোভেরা হচ্ছে আয়ুর্বেদিক এবং ইউনানী চিকিৎসায় একটি অন্যতম প্রাকৃতিক ভেষজ গুন সম্পন্ন একটি ঔষধি উদ্ভিদ। অতীতকাল থেকে অ্যালোভেরা রূপচর্চা ও বিভিন্ন চিকিৎসার কাজে ব্যবহার হয়ে আসছে। ঠিক তেমনি ত্বকের তেল কমানোর জন্য অ্যালোভেরা হচ্ছে একটি অন্যান্য সমাধান ত্বকের তেল কমানোর জন্য অ্যালোভেরা বিভিন্ন ভাবে ব্যাবহার করা যেতে পারে। যেমনঃ অ্যালোভেরা ত্বকে সরারসরি অথবা অনান্য উপাদানের সাথেও ব্যাবহার করা যায়।

ত্বকে অ্যালোভেরা সরাসরি অথবা অ্যালোভেরার সাথে মধু কিংবা লেবু মিশ্রন করেও ব্যাবহার করা যেতে পারে। তবে ভালো ফলাফল পেতে অ্যালোভেরার সাথে মধু অথবা লেবু ব্যাবহার করাই উত্তম। কেননা মধুতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও লেবুতে থাকা ভিটামিন-সি ত্বকের তেল দূর করার সাথে সাথে ত্বককে মসৃন করে ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া হ্রাস করে। এটি ব্যাবহার করাও অনেক সহজ। উক্ত তৈরি করা অ্যালোভেরার পেস্ট মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেই কাজ শেষ।

ত্বকের তেল কমানোর জন্য টোনার করার নিয়ম

টোনার হচ্ছে এক ধরনের ত্বকের যত্নের পদ্ধতি যা ব্যবহারের ফলে ত্বকের ময়লা দূর করে এবং ত্বকের অতিরিক্ত তেল হ্রাস করে তোকে সুস্থ রাখে। তাছাড়া তোকে হাইড্রেট ও পিএইচ মাত্রা ঠিক রাখার জন্য টোনার করা হয়ে থাকে। তাছাড়া ত্বকের বিভিন্ন যত্নে টোনার ব্যবহার করা হয়ে থাকে তার মধ্যে অন্যতম কারণসমূহ হচ্ছে ত্বকের অতিরিক্ত ছিদ্র গুলো বন্ধ করে দেওয়া, ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব দূর করা, ব্রণের সমস্যা সমাধান করা ইত্যাদির মত গুরুত্বপূর্ণ কাজ টোনার করার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব।
ত্বকের ধরন অনুযায়ী টোনার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমনঃ স্বাভাবিক ত্বক, এলার্জিটিক ত্বক, অতিরিক্ত তৈলাক্ত ত্বক, সংবেদনশীল ত্বক ইত্যাদি ত্বকের ধারণা অনুযায়ী টোনাও আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। তবে আজকের এই আলোচনায় আমরা ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈরি টোনার সম্পর্কে জানব যা প্রায় সব ধরনের ত্বকে ব্যবহার করা সম্ভব। প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের টোনার করার জন্য অ্যালোভেরা ও লেবুর রস, শসার রস ইত্যাদি ত্বকে সরাসরি ব্যবহার করে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেই সাথে সাথে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করা সম্ভব।

ত্বক সুস্থ রাখার দৈনিক রুটিন

ত্বকের তৈলাক্ততা ভাব দূর করার জন্য ঘরোয়া রেমেডি ব্যাবহার করলেই হবে না বরং সেই সাথে কিছু দৈনিক রুটিনও মেনে চলতে হবে। কেননা তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ঘরোয়া ফেসিয়াল ব্যাবহার করলে সাময়িক অথবা বাহ্যিক ভাবে এই সমস্যার সমাধান হলেও তা কিন্তু চিরদিনের জন্য সমাধান হয় না। ফলে তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ঘরোয়া ফেসিয়াল করা বাদ দিয়ে বা ছেড়ে দিলে পরবর্তিতে এই সমস্যা আবারো দেখা দিতে পারে।

ত্বক সুস্থ রাখার দৈনিক রুটিন এর যে অন্যতম কাজটি অবলম্বন করতে হবে তা হলো দৈনিক নিয়মিত ৭-৮ গ্লাস পানি পান করা। কেননা পানি আমাদের শরীরে বিভিন্ন অঙ্গবিত্তিও কাজে সরাসরি অংশগ্রহণ করে থাকে। যার ফলে শরীরে মেটাবলিজম ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং শরীরের বিভিন্ন রোগের প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তা ছাড়া নিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত হাঁটা চলাচল করা, নিয়মিত সূর্যের আলো গ্রহণ করা, ফাস্টফুট জাতীয় খাদ্য পরিহার করা ইত্যাদির মতো কাজ বা বাজে স্বভাব ত্যাগ করে চললেই তো ভিতর থেকে সুস্থ থাকবে।

ঘরোয়া ফেসিয়ালের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সমূহ

প্রত্যেক জিনিস ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া জেনে ব্যবহার করা উচিত। কেননা একজনের কাছে যা উপকারী ঠিক অন্যজনের কাছে তা ক্ষতির অন্যতম কারণ হতে পারে। তাই কোন জিনিস ব্যাপারে পূর্বে অবশ্যই আমাদের সে জিনিস সম্পর্কে পূর্ব ধারণা থাকতে হবে সাথে তার ব্যবহারে আমাদের কোন ক্ষতি না হতে পারে। আমরা উপরের যে বিষয়গুলো আলোচনা করেছি তার সাধারণত কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।


তবে লক্ষ্য রাখতে হবে যে বিভিন্ন জিনিস যেমন অ্যালোভেরা, কাঁচা দুধ, বেসন, কাঁচা হলুদ, মধু, লেবু ইত্যাদি সামগ্রী যা আমরা আলোচনা করেছি তার সাধারণত কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই তবে এমন অনেক মানুষ আছে যাদের উপরের এইসব উপাদানের মধ্যে এলার্জি বা সহনশীলতা নাও থাকতে পারে তাই তাদের উচিত এসব জিনিস ব্যবহারে এড়িয়ে চলা অথবা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা। 

পরিশেষে

তৈলাক্ত ত্বক একটি অতি সাধারণ ত্বকের সমস্যা যা আমাদের দেশে প্রায় সকলেরই হয়ে থাকলেও এটি অনেক সময় ও অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তি জীবনের একটি ছোটখাট বাধার সম্মুখীন হয়ে দাঁড়ায়।যেমনঃ শিক্ষা ক্ষেত্রে অথবা চাকরি ক্ষেত্রে যখন অনেক মানুষের সঙ্গে মেলামেশা বা চলাফেরা করতে হয় তখন মানুষের সবার প্রথমে লক্ষ্য থাকে মুখমন্ডলের। তাই যখন তৈলাক্ত ভাব মুখে লক্ষ্য করা যায় তখন নিজের কাছে নিজেকে খারাপ লাগে। তাই সুস্থ থাকতে এবং সামাজিক জীবনে নিজেকে উপস্থাপন করতে সুস্থ ত্বকের ভুমিকা অনেক।

তবে খেয়াল রাখতে হবে যে যে জিনিসই একজন মানুষের কাছে উপকারী ঠিক একই জিনিস অন্যজনের কাছে ক্ষতিকর হতে পারে। কারণ অনেকের ত্বক সেনসিটিভ বা অতি সংবিধানশীল হওয়ার কারণে আমাদের দেওয়া উপাদানগুলো ত্বকে সহ্য নাও হতে পারে। এক্ষেত্রের উপকারের চাইতে ক্ষতি বেশি হতে পারে। তাই তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ঘরোয়া ফেসিয়াল  ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই ত্বকে এলার্জি আছে কিনা পরীক্ষা করে নিতে হবে। যদি থেকে থাকে তাহলে অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে তার পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

গ্লো আপ ফ্লো এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url