ঘরে বসে দৈনিক ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা ইনকাম করার ১০টি উপায়

দৈনিক ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা ইনকাম করা বর্তমান সময়ে সহজ একটি ব্যাপার। আপনার কাছে যদি একটি স্মার্টফোন অথবা কম্পিউটার এবং সাথে ইন্টারনেট সংযোগ থেকে থাকে তাহলে আপনিও খুব সহজে ব্যাসিক কিছু কাজ শিখে ঘরে বসেই প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
দৈনিক-৪০০-থেকে-৫০০-টাকা-ইনকাম
ইন্টারনেটে অযথা সময় নষ্ট না করে এই সময়কে আমরা কাজে লাগিয়ে অর্থ উপার্জন করতে পারি। বর্তমান সময়ে প্রায় সকল কিছুই ইন্টারনেট ভিত্তিক হয়ে যাওয়ার কারনে আমরা ব্যাসিক কিছু কাজ শিখে ইনকাম শুরুর সম্ভাবনা আছে। তাই আজকে আমরা তেমন কিছু ইনকাম করার মাধ্যম সম্পর্কে জানবো।

সূচিপত্রঃ ঘরে বসে দৈনিক ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা ইনকাম করার ১০টি উপায়

দৈনিক ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা ইনকাম করার ১০টি উপায় জানুন

দৈনিক ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা ইনকাম করা বর্তমান সময়ে একটি সহজ কাজ। কেননা বর্তমান সময়ে সকল কিছু ডিজিটাল অর্থাৎ অনলাইন ভিত্তিক হয়ে যাওয়ার কারনে ঘরে বসেই আপনি আপনার একটি স্কিল ভালোভাবে শিখে ফেললেই আপনি ঘরে বসেই ভালো পরিমান অর্থ ইনকাম করতে পারবেন। তবে অনলাইনে এমন অনেক কাজ রয়েছে যেগুলো করতে তা ভালোভাবে শিখতে হবে আবার এমনো কাজ রয়েছে যেগুলো করতে কোনো স্কিল এর প্রয়োজন হয়না। তাই আজকে আমরা এমনি কিছু কাজ সম্পর্কে জানবো যা আপনি ধৈর্য সহকারে করলে প্রতিদিন অন্তত ৫০০ টাকা আয় করতে পারবেন।

এই ডিজিটাল যুগে সকল কিছু অনলাইনে হওয়ার ফলে যেমন রয়েছে আয় করার সুযোগ ঠিক তেমনি রয়েছে প্রতারনার সুযোগ। আপনি লক্ষ্য করবেন আনলাইনের বিভিন্ন প্লাটফোর্মে দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps লিখে সার্চ দিলে এমন অনেক অ্যাপস আসবে যেগুলোর বেশির ভাগ আপনার কাছে থেকে কাজ করে নিবে ঠিকই কিন্তু পেমেন্ট দিবে না। তাই আমরা সেই সকল কাজ করবো না। আজকে আমরা দৈনিক ইনকামের সহজ পন্থা জানবো যার মাধ্যমে বিনিয়োগ ছাড়া আয় করার কৌশল এর মাধ্যমে ঘরে বসে আয় করতে পারবো।

ব্লগিং করে প্রতিমাসে ১লক্ষ টাকা ইনকাম

অনলাইনে আয়ের উপায় গুলোর মধ্যে অন্যতম এক মাধ্যমে হচ্ছে ব্লগিং। তথ্য বহুল লেখালেখি করে তা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে গুগল অ্যাডসেন্স অথবা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম করা যায়। অন্যান্য সকল বিনিয়োগ ছাড়া আয় করার কৌশল এর মধ্যে ব্লগিং হচ্ছে অন্যতম। ব্লগিং করে আপনি ঘরে বসে অল্প কাজ করেই ভালো পরিমান অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। নিচে ব্লগিং শুরু করার ধাপ সমূহ নিচে তুলে ধরা হলো। আশা করা যায় যে নিচের দেওয়া ধাপগুলো অনুসরন করলে আপনি সহজেই ব্লগিং করে আয় করা শুরু করতে পারবেন।

ব্লগিং শুরু করার জন্য আপনাকে সর্ব প্রথম একটি ওয়েবসাইট ও একটি নিশ নির্বাচন করতে হবে। নিশ বলতে বোঝায় কোনো নির্দিষ্ট একটি বিষয় যার উপর ভিত্তি করে আপনি লেখালেখি করবেন। যেমনঃ আপনি নিশ হিসেবে ধরতে পারেন সুস্বাস্থ ও চিকিৎসা, অনলাইন ইনকাম, তথ্য ও প্রযুক্তি ইত্যাদি। নিশ নির্বাচন করার পর আপনাকে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। ওয়েবসাইট আপনি ফ্রি তে বানাতে পারবেন কিন্তু সেক্ষত্রে টাকা উপার্জন হতে অনেক সময় লাগবে। সেক্ষেত্রে পরামর্শ থাকবে একটি ভালো ডোমেইন ও হোস্টিং ক্রয় করে ওয়েবসাইট তৈরি করা।

আপনি চাইলে এই লিংকে ক্লিক করে ওয়েবসাইটের ডোমেইন ও হোস্টিং বিশেষ ডিসকাউন্টে কিনতে পারেন।

POD এর কাজ করে প্রতিদিন ১ হাজার টাকা ইনকাম

POD বলতে বোঝায় প্রিন্ট-অন-ডিমান্ড অর্থাৎ আপনি ঘরে বসে কোনো প্রকার টাকা ইনভেস্ট করা ছাড়াই আপনার হাতে থাকা স্মার্ট ফোনের সাহার্য্যে টি-শার্ট, মগ, পোস্টার ইত্যাদি ডিজাইন করে প্রতিদিন ১ হাজার টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন। এক্ষেত্রে অন্যান্য প্লাটফোর্মের মত আপনাকে বিশেষ কোনো স্কিল শিখতে হবে না বরং আপনি আপনার চিন্তাশক্তি ব্যাবহার করে এই কাজ সহজেই করতে পারবেন। আসুন এই কাজ সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করার চেষ্টা করি।

প্রিন্ট অন ডিমান্ড এমন একটি কাজ যেখানে আপনি আপনার আর্ট বা ডিজাইন তৈরি করে খুজ সহজেই তা বিক্রি করে ভালো পরিমান প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন। এই কাজ করা অন্যান্য কাজের চাইতে অনেক সহজ। প্রথমে আপনাকে টি-শার্ট, মগ, পোস্টার ইত্যাদি ডিজাইন করতে হবে। তারপর Printful, Printify, Redbubble ইত্যাদি POD ভিত্তিক প্লাটফোর্মে সেই ডিজাইন এর মূল্য নির্ধারন করে দিতে হবে। তারপর শুধু অপেক্ষা অর্ডার আসার। তাই প্রিন্ট অন ডিমান্ড হতে পারে আপনার প্যাসিভ ইনকাম সূত্র।

ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করুন

বর্তমান সময়ে  ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম কথাটি খুব কমন একটি কথা। ফ্রিল্যান্সিং কথাটা সহজ মনে হলেও যাদের কোনো স্কিল নেই তাদের জন্য এটি একটি মাথা ব্যাথার কারন হতে পারে। তাই বুঝতেই পারছেন যে  ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করতে হলে আপনাকে কোনো একটা বিষয়ে স্কিল অর্জন বা পারদর্শী হতে হবে। কেননা ফ্রিলান্সিং করতে হলে আপনাকে বাহিরের দেশের বিভিন্ন ক্লায়েন্টদের কাজ অর্থের বিনিময়ে করে দিতে হবে। তাই বুঝতেই পারছেন এই কাজ করতে হলে আপনাকে বিশেষ কোনো স্কিল অর্জন করতে হবে। এখন আমরা জানবো বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় কিছু ফ্রিল্যান্সিংস্কিল যেগুলোর একটি আপনি অর্জন করে এই সেক্টরে কাজ করতে পারেন।
  • ডিজিটাল মার্কেটিং
  • গ্রাফিক ডিজাইন
  • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
  • ভিডিও এডিটিং
  • কন্টেন্ট রাইটিং
  • এ-আই আটোমেশন
  • ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি
উপরের দেওয়া যেকোনো একটি স্কিল আপনি অর্জন করে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে যেমন Fiverr, Upwork, Freelancer.com, PeoplePerHour ইত্যাদির মত আরো জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফোর্মে কাজ করতে পারবেন। তাছাড়াও আপনি মার্কেটপ্লেসের বাহিরেও অনেক কাজ পাবেন যেগুলো করে প্রতিমাসে লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন। তবে ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আপনাকে অবশ্যই ধৈর্য ও দক্ষতা রাখতে হবে তবেই আপনি এই সেক্টরে সফলতা আনতে পারবেন।

লেখালেখির কাজ করে ইনকাম করুন

আপনি যদি চান আপনি ঝামেল মুক্ত ভাবে শুধু লেখালেখি করে ইনকাম করবেন তাহলে সেই সুযোগও আপনার জন্য খুলা রয়েছে। বর্তমান সময়ে লেখালেখির কাজ অনেক চাহিদাপূর্ন ও লাভ জনক। আপনি চাইলে যারা ব্লগিং করে তাদের ওয়েবসাইটের জন্য কন্টেন্ট লিখে দিতে পারেন অথবা আপনি নিজের ব্লগিং এর জন্য কন্টেন্ট লিখে আপনার ওয়েবসাইটের প্রকাশ করতে পারে। তাছাড়াও বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসেও রয়েছে কন্টেন্ট রাইটার এর বিশেষ চাইদা। আর আপনি যদি ইংরেজিতে পারদর্শী হয়ে থাকেন তাহলে ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেসেও কাজ করে বিপুল পরিমান অর্থ আয় করতে পারবেন।
দৈনিক-৪০০-থেকে-৫০০-টাকা-ইনকাম
লেখালেখির কাজ করার জন্য আপনাকে কিছু কন্টেন্ট রাইটিং এর বেসিক শিখেতে হবে। কিভাবে একটি আর্টিকেলের টাইটেল আকর্শনীয় করে লিখতে হয়। কিভাবে লেখাগুলোকে ফর্মেটিং করতে হয়। কিভাবে On page SEO করতে হয়, কিভাবে পার্মালিংক, ডেস্ক্রিপশন লিখতে হয় ইত্যাদি না জানলে আপনি লেখালেখি করতে পারবেন না। তাই লেখালেখি করার পূর্বে অবশ্যই এই সকল সাধারণ বিষয় গুলো শিখে নিতে হবে এবং এগুলো শিখতে সর্বোচ্চ ৭দিন সময় লাগতে পারে। ব্যাসিক গুলো শেখা হলে নিজের জন্য অথবা বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস বা মার্কেটপ্লেসের বাহিরে ক্লায়েন্টদের জন্য কাজ করতে পারবেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম করুন

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম করা বর্তমানে একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে এমন একটি মাধ্যম যেখানে অন্য কোম্পানির পণ্য বা প্রোডাক্ট আপনি প্রচারণার মাধ্যমে বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। বিশেষ করে আপনার যোগাযোগ স্কিল ভালো থাকলে এই মাধ্যমে আপনি প্রতিমাসে লাখ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য সর্ব প্রথম আপনাকে অ্যাফিলিয়েট কম্পানির একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। Amazon Associates,  Daraz Affiliate Program, ShareASale ইত্যাদির মতো কম্পানির একটি অ্যাফিলিয়েট অ্যাকাউন্ট খুলে আপনি কাজ শুরু করতে পারেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম করার জন্য ফিলিয়েট অ্যাকাউন্ট খুলা শেষ হলে আপনার পরের ধাপের কাজ হবে সেই প্রোডাক্টের প্রচারনা করা। প্রচারনা করার জন্য আপনি বিভিন্ন মাধ্যম ব্যাবহার করতে পারেন। উল্লেখ যোগ্য কিছু মাধ্যম হচ্ছে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া যেমনঃ ফেসবুক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম, টিকটক ইত্যাদিতে সেই পণ্য প্রচারনা করা। সেই সাথে আরো কিছু উল্লেখযোগ্য মাধ্যম হচ্ছে আপনার ব্লগিং ওয়েবসাইটে যদি বেশি ভিজিটর আসে তাহলে সেখানে সেই পণ্য বা প্রোডাক্ট প্রচারনা করেও ভালো অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। এইভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে বিনিয়োগ ছাড়া আয় করতে পারেন।

এ-আই অটোমেশন করে ইনকাম করুন

বর্তমান সময়ে এ-আই এর ব্যাবহার হচ্ছে বহুল মাত্রাই। তাই বর্তমান সময়ে এ-আই এর চাহিদাও অনেক। ঠিক এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এ-আই আটোমেশন ব্যাবহার করে প্রতিমাসে ৫০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা বা তারও বেশি টাকা ইনকাম করতে পারেন। তবে কাজ শুরু করতে হলে অবশ্যই এ-আই আটোমেশন কি এবং কিভাবে করে তা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারনা লাভ করতে হবে এবং ভালোভাবে শিখেতে হবে। এ-আই আটোমেশন এর ব্যাসিক শিখে কাজ শুরু করতে চাইলে আনুমানিক দেড় থেকে দুই মাস সময় লাগতে পারে। আসুন এখন আমরা এ-আই 

এআই ভিডিও জেনারেশন করে ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করতে পারেন। এ-আই ব্যাবহার করে বর্তমান সময়ে খুব সহজেই ভিডিও জেনারেট করা যায়। সেই সকল ভিডিও ইউটিউবে ছেড়ে গুগল অ্যাডসেন্স ব্যাবহার করে টাকা ইনকাম করতে পারেন। আরো অনেক মাধ্যম রয়েছে যেগুলোর চাইতে ইউটিউব এ-আই অটোমেশন বেশি জনপ্রিয়। তাছাড়াও আপনি চাইলে এ-আই ব্যাবহার করে বিভিন্ন কন্টেন্ট লিখে তা মডিফাই ও SEO করে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে গুগল অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারেন।

অ্যাড দেখে ইনকাম করুন দৈনিক ৫০০ টাকা

দৈনিক ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা ইনকাম করার সব চাইতে সহজ উপায় হচ্ছে অ্যাড দেখা। আমরা অনেকে ঘন্টার পর ঘন্টা মোবাইল ফোনে ফেসবুকে রিলস বা টিকটক ভিডিও দেখে সময় পার করে থাকি। কিন্তু এই সময়কেই কাজে লাগিয়ে আমরা অ্যাড দেখেও আমরা খুব সহজেই প্রতিদিন ৫০০ টাকা ইনকাম করতে পারি। বলা যেতে পারে যে এটি হচ্ছে দৈনিক ইনকামের সহজ পন্থা গুলোর একটি অন্যতম মাধ্যম। বর্তমান সময়ে অনেক নামি দামি ওয়েবসাইট রয়েছে যারা অ্যাড দেখানোর মাধ্যমে পেমেন্ট দিয়ে থাকে। নিচে সেই সকল কিছু অ্যাড দেখে টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট সম্পর্কে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হলো।

পিটিসি বা পেইড টু ক্লিক ওয়েবসাইট এগুলো হচ্ছে এমন ওয়েবসাইট যারা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আপনাকে অ্যাড দেখিয়ে টাকা দিয়ে থাকে। এইসকল ওয়েবসাইট গুলো প্রতি ক্লিকে $০.০০১ থেকে $০.০২ ডলার দিয়ে থাকে। তাই পেইড টু ক্লিক ধরনের ওয়েবসাইট থেকে বেশি ইনকাম আশা করা উচিত নয়। তবে আপনি যদি ধৈর্য ধারন করে কাজ করেন তাহলে প্রতিদিন হাত খরচ চালানোর মতো অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। পেইড টু ক্লিক ধরনের কিছু ওয়েবসাইট নিচে দেওয়া হলোঃ
  • NeoBux
  • ScarletClicks
  • GPTPlanet
  • Ojooo
এই সকল ওয়েবসাইট ব্যাতীত আরো অনেক ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ রয়েছে যারা অ্যাড দেখার মাধ্যমে আপনাকে পয়েন্ট দিয়ে থাকে এবং পরবর্তিতে আপনি চাইলে অনেক গুলো পয়েন্ট জমা করে এক সাথে টাকা উত্তলন করতে পারেন। এইসকল কিছু ওয়েবসাইট বা অ্যাপ হচ্ছে Google Opinion Rewards, Swagbucks, nboxDollars, ClipClaps ইত্যাদি। এই সকল ওয়েবসাইট বা অ্যাপ গুলতে কাজ করলে আপনি প্রতিদিন খুব সহজেই টাকা উপার্জন করতে পারেন। তবে এইসকল অ্যাড দেখে কাজগুলোকে ফুল-টাইম উপার্জন হিসেবে গ্রহন করা উচিত নয়। কেননা এইসকল ওয়েবসাইট বা অ্যাপ গুলোর ইনকাম সীমিত। তাই আপনি চাইলে এইসকল কাজ পার্ট টাইম ইনকাম সোর্চ হিসেবে ব্যাবহার করতে পারেন।

ড্রপশিপিং করে ইনকাম করুন

ড্রপশিপিং এম মাধ্যমে আপনি কোনো পণ্য বা প্রোডাক্ট হাতের ছোঁয়া ছাড়াই বিক্রি করে টাকা উপার্জন করতে পারবেন। বর্তমান সময়ে অনেক এমন মানুষ আছে যারা ড্রপশিপিং ব্যাবহার করে মাসে লক্ষাধিক টাকা উপার্জন করছেন। বর্তমান সময় হচ্ছে ডিজিটাল সময়। এ সময় মানুষ বিভিন্ন ট্রেন্ড বা প্রচলনকে অনুসরন করে কৈতুহল অথবা প্রয়োজনে বিভিন্ন পণ্য বা প্রোডাক্ট ক্রয় করে থাকে। ঠিক এই সুযোগ্লে কাজে লাগিয়ে অসংখ্য ব্যাক্তিরা সফলভাবে ড্রপশিপিং করে প্রতিমাসে লক্ষ টাকা উপার্জন করে আসছে।
দৈনিক-৪০০-থেকে-৫০০-টাকা-ইনকাম

ড্রপশিপিং এর জন্য অন্যতম কিছু প্লাটফোর্ম সমূহ হচ্ছে 
Shopify, WooCommerce, BigCommerce ইত্যাদি। এইসকল প্লাটফোর্মের মধ্যে যেকোনো একটিতে ই-কমার্স স্টোর তৈরি করতে পারেন। শুধু স্টোর তৈরি করলেই তো হবে না। তাই সেই স্টোরে প্রোডাক্ট যুক্ত করার জন্য AliExpress, CJ Dropshipping ইত্যাদি থেকে প্রোডাক্ট যোগ করতে পারেন। ব্যাস প্রোডাক্ট যোগ করার পর আপনি সেই প্রোডাক্ট বিভিন্ন জায়গাই সফলভাবে মার্কেটিং করতে পারলে এবং সেই সকল প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারলে আপনিও প্রতিমাসে লক্ষ টাকা ইনকাম করতে সক্ষম হবেন।

শেষ কথা-দৈনিক ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা ইনকাম

দৈনিক ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা ইনকাম করা বর্তমান সময়ে খুব সহজ একটি কাজ যদি আপনি কোনো একটি স্কিল বিশেষভাবে অর্জন করতে পারেন। বর্তমান সময়কে বলা হয় ডিজিটাল যুগ। এই ডিজিটাল যুগে মানুষ সকল কাজ ঘরে বসে করতে পছন্দ করে। আপনি খেয়াল করলে দেখবেন যে বর্তমান সময়ে মানুষ কেনাকাটা থেকে শুরু করে খাবার দাবার সকল কিছু অলাইনে করে আসছে। তাই সকলে দোকানের পাশাপাশি অনলাইনে বিভিন্ন স্টোর তৈরি করে রেখেছে। ঠিক এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আমরা ঘরে বসেই বৈদেশিক অর্থ উপার্জন করতে পারি।

অনলাইনে টাকা উপার্জন করা কথাটি শুনলে সহজ মনে হলেও আসলে তা করাটা খুব কঠিন কাজ যদি আপনার সেই কাজে অভিজ্ঞতা না থেকে থাকে। তবে এটি সত্য যে অনালাইনে এমন অনেক কাজ রয়েছে যেগুলো করে আপনি প্রতিদিন অনায়াসে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় করতে পারবেন কিন্তু আপনি এটি থেকে প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন না। তাই আপনার যদি লক্ষ্য থেকে থাকে অনলাইন ফ্রিল্যান্স কাজ করে টাকা ইনকাম করবেন তাহলে আপনার উচিত হবে কোনো একটি কাজে স্কিল অর্জন করা। সেই সাথে আজকের এই আর্টিকেলে আমরা এমন কিছু পদ্ধতি বলে রেখেছি যার ব্যাসিক স্কিল ডেভেলপ করে আপনি প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় করতে সক্ষ্ম হবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

গ্লো আপ ফ্লো এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url