কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের নাম ও ছবি সহ পূর্ণাঙ্গ পরিচিতি

কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের নাম ও ছবি সহ আজকে আমরা বিস্তারিত জানবো।  মনিটর, সিপিইউ, মাদারবোর্ড, র‍্যাম, হার্ড ড্রাইভ, পাওয়ার সাপ্লাই, কীবোর্ড, মাউস ইত্যাদির সমন্বযয়ে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার গঠিত হয়। কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের নাম ছবি সহ বিস্তারিত জানবো।
কম্পিউটারের-বিভিন্ন-অংশের-নাম-ও-ছবি
কম্পিউটারের সাধারণত দুইটি অংশে বিভক্ত হয়ে থাকে একটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও অপরটি হচ্ছে সফটওয়্যার। হার্ডওয়্যার দ্বারা কম্পিউটারের সকল কাজ সম্পাদন করা হয় এবং সফটওয়্যার দ্বারা হার্ডওয়্যারকে নিয়ন্ত্রন করা যায়। এখন আমরা কম্পিউটার যন্ত্রাংশের নাম বিস্তারিত জানবো।

সূচিপত্রঃ কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের নাম ও ছবি 

কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের নাম ও ছবি

কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের নাম ও ছবি সহ বিস্তারিত জানা আমাদের প্রয়োজন। বর্তমান সময়ে কম্পিউটার ছাড়া একটি দিনও কল্পনা করা সম্ভব নয়। তাই কম্পিউটার কোন কোন কম্পনেন্ট দ্বারা গঠিত হয় এ সম্পর্কে আমাদের প্রত্যেকের জানা প্রয়োজন। কম্পিউটারের সাধারণত ২টি অংশ থাকে। একটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার যা কম্পিউটারের সকল ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে এবং আরেকটি হচ্ছে সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে নিয়ন্ত্রন করে। এখন আমরা কম্পিউটারের সকল হার্ডওয়ার ছবি সহ বিস্তারিত জানবো।
কম্পিউটারের-বিভিন্ন-অংশের-নাম-ও-ছবি
  • মাদারবোর্ড
  • প্রসেসর
  • পাওয়ার সাপ্লাই
  • র‍্যাম
  • হার্ড ড্রাইভ
  • এসএসডি
  • গ্রাফিক্স কার্ড
  • নেটওয়ার্ক কার্ড
  • সাউন্ড স্পিকার
  • মনিটর
  • কীবোর্ড 
  • মাউস
  • মাইক্রোফোন
উপরোক্ত দেওয়া সকল কম্পোনেন্ট দ্বারা একটি কম্পিউটার বা পিসি তৈরি সম্পূর্ন হয়ে থাকে। উপরের দেওয়া প্রত্যেক কম্পোনেন্ট এর কাজ আলাদা আলাদা হওয়ার কারনে একটি কম্পোনেন্ট ব্যাতীত কম্পিউটারকে সঠিক ভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। তাই কম্পিউটার যন্ত্রাংশের নাম ও কাজ জানা প্রয়োজন। এখন আমরা কম্পিউটারের এই হার্ডওয়্যার গুলোর কাজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো। 

কম্পিউটার এর বিভিন্ন অংশের নাম ও কাজ

কম্পিউটার সাধারণত মাদারবোর্ড, প্রসেসর, পাওয়ার সাপ্লাই, র‍্যাম, স্টোরেজ, গ্রাফিক্স কার্ড, নেটওয়ার্ক কার্ড, সাউন্ড স্পিকার, মনিটর, কীবোর্ড, মাউস, মাইক্রোফোন ইত্যাদি যন্ত্রাংশের সমন্বয়ে সঠিত হয়ে থাকে। উপরের দেওয়া একটি যন্ত্রাংশ ব্যাতীত কম্পিউটার সঠিক ভাবে কাজ করতে পারে না। এখন আমরা কম্পিউটারের সকল যন্ত্রাংশ বা কম্পোনেন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।

মাদারবোর্ড

মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের প্রধান সার্কিট বোর্ড অর্থাৎ কম্পিউটারের যত কম্পোনেন্ট রয়েছে সেই সকল কম্পোনেন্টকে মাদারবোর্ড একত্রে সংযুক্ত করে। কম্পিউটারের অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন অংশ হচ্ছে মাদারবোর্ড। কারন এটি কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশকে সংযুক্ত করা ছাড়াও কম্পিউটারের সকল তথ্য আদান প্রদান করার পথ বা রাস্তা প্রদান করে থাকে। মাদারবোর্ড এর ধরন অনুযায়ী এটি প্রধানত তিন প্রকার। যথাঃ
  • ATX মাদারবোর্ডঃ এটি মূলত প্রায় সকল ধরনের কম্পিউটারে ব্যাবহার করা হয়ে থাকে।
  • Micro ATX মাদারবোর্ডঃ ATX মাদারবোর্ড এর চাইতে কিছুটা ছোট হলেও এটিও মূলত ATX মাদারবোর্ড এর প্রায় সকল সুযোগ সুবিধা থাকে।
  • Mini ATX মাদারবোর্ডঃ এটি মূলত ছোট ও কম বিদ্যুৎ খরচ কারী মাদারবোর্ড যা সাধারণত হালকা ও অফিস কাজের জন্য কম্পিউটার বানাতে ব্যাবহার করা হয়।
কম্পিউটারের-বিভিন্ন-অংশের-নাম-ও-ছবি

প্রসেসর

প্রসেসরকে বলা হয় কম্পিউটারের ব্রেন বা মস্তিষ্ক। প্রসেসরের মাধ্যমে কম্পিউটার তার সকল গণনা, তথ্য সম্পাদন ও সকল প্রকার নির্দেশনা প্রদান করে থাকে। প্রসেসর মূলত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগাযোগ ব্যাবস্থা তৈরি করে কম্পিউটারের সকল কার্যক্রম করে থাকে। প্রসেসরকে CPU বা Central Processing Unit বলা হয়। বর্তমান বাজারে Intel এবং AMD এর প্রসেসর বহুল জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। সাধারনত পিসি বিল্ড করতে Intel এবং AMD এর প্রসেসর ব্যাবহার করা হয়।
কম্পিউটারের-বিভিন্ন-অংশের-নাম-ও-ছবি

পাওয়ার সাপ্লাই

পাওয়ার সাপ্লাই মূলত বৈদ্যুতিক শক্তিকে রূপান্তর করে কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ করে কম্পিউটার ব্যাবহারের উপযুক্ত করে তুলে। পাওয়ার সাপ্লাই  বৈদ্যুতিক শক্তি এসি কারেন্টকে ডিসি কারেন্টে রুপান্তর করে কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যারে সঠিক পরিমানে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে।পাওয়ার সাপ্লাই এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ন কাজ হচ্ছে কম্পিউটারে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বা শর্ট সার্কিট হলে পাওয়ার সাপ্লাই এটি প্রতিহিত করে কম্পিউটারকে সুরক্ষিত রাখে।
কম্পিউটারের-বিভিন্ন-অংশের-নাম-ও-ছবি

র‍্যাম

র‍্যাম হলো এক প্রকার অস্থায়ী মেমরি যা অস্থায়ী ভাবে কম্পিউটারের সকল তথ্য বা ডাটা সংরক্ষণ করে। র‍্যাম বা RAM - Random Access Memory কম্পিউটার চালু হওয়ার সাথে সাথে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম এবং চলমান প্রোগ্রামগুলি র‍্যামে লোড হয় যার ফলে প্রসেসর বা CPU দ্রুত তথ্য সরবরাহ করে কম্পিউটার চালু করে। উচ্চ ক্ষমতার র‍্যাম কম্পিউটারের গতি এবং কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তাই কম্পিউটারের র‍্যাম যত বেশি হবে কম্পিউটার ঠিক তত দ্রুত কাজ করবে।
কম্পিউটারের-বিভিন্ন-অংশের-নাম-ও-ছবি

হার্ড ড্রাইভ ও এসএসডি

হার্ড ড্রাইভ ও এসএসডি হচ্ছে কম্পিউটারের স্টোরেজ। হার্ড ড্রাইভ ও এসএসডি কম্পিউটারের স্টোরেজ হওয়া সত্যেও এই দুইটি পারফোর্সমেন্ট ও আকৃতির দিক দিয়ে সম্পূর্ন আলাদা। কারন হার্ড ড্রাইভ বা Hard Drive Disk (HDD) কম্পিউটারের স্টোরেজ হলেও এটি মূলত ধীর গতির বা তথ্য সরবরাহ করতে অনেক সময় লাগে অপর দিকে এসএসডি বা  Solid State Drive আকারে অনেক ছোট হওয়া সত্তেও অনেক দ্রুত গতির এবং এসএসডি এর প্রকারভেদ অনুযায়ী এটি হার্ড ড্রাইভ থেকে দ্বিগুণ, তিন গুন অথবা এর চাইতে বেশি শক্তিশালী।
কম্পিউটারের-বিভিন্ন-অংশের-নাম-ও-ছবি

গ্রাফিক্স কার্ড

গ্রাফিক্স কার্ড ব্যাতীত কম্পিউটারের ডিসপ্লে বা মনিটরে কোনো ছবি, ভিডিও এবং 3D গ্রাফিক্স বা কোনো দৃশ্যমান কিছু দেখা যায় না। গ্রাফিক্স কার্ড বা গ্রাফিক্স প্রক্রেসিং ইউনিট (GPU) হলো কম্পিউটারের একটি অপরিহর্য্য উপাদান কম্পিউটারের গ্রাফিক্স এবং ভিজ্যুয়াল ডাটা বা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে থাকে। বর্তমান সময়ে অনেক প্রসেসর আছে যাতে স্বয়ংক্রিয় ভাবে গ্রাফিক্স কার্ড যুক্ত করা থাকে। তবুও কম্পিউটারের ভালো কার্যকারিতা পেতে আলাদা ভাবে গ্রাফিক্স কার্ড ব্যাবহার করা উত্তম।
কম্পিউটারের-বিভিন্ন-অংশের-নাম-ও-ছবি

মনিটর

মনিটর হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ন অংশ। মনিটর ব্যাতীত কম্পিউটারের কোনো ভিজ্যুয়াল ডাটা বা তথ্য দেখা যায় না। অর্থাৎ ছবি, ভিডিও সহ সকল প্রকারের ভিজ্যুয়াল ডাটা দেখার জন্য মনিটর ব্যাবহার করতে হয়। মনিটর মূলত একটি আউটপুট ডিভাইস যা কম্পিউটারের সকল তথ্য ছবি বা ভিডিও আকারে উপস্থাপন করে থাকে। ব্যাবহারের ধরন ও দাম অনুযায়ী মনিটর বিভিন্ন প্রকারের যেমন নরমান, HD, OLED, 4K ইত্যাদি ধরনের হয়ে থাকে।
কম্পিউটারের-বিভিন্ন-অংশের-নাম-ও-ছবি

কিবোর্ড, মাউস ও মাইক্রোফোন

কিবোর্ড, মাউস ও মাইক্রোফোন দ্বারা কম্পিউটারকে নির্দেশনার কাজে ব্যাবহার করা হয়। কিবোর্ড দ্বারা কোনো কিছু লিখা বা বিভিন্ন কমান্ড ও শর্টকার্টের কাজে ব্যাবহার করা হয়। অপরদিকে মাউস দ্বারা কম্পিউটারের বিভিন্ন নির্দেশনা ও বিভিন্ন অপশনে ক্লিক করতে ব্যাবহার করা হয়। মাউস ও কিবোর্ড না থাকলে কম্পিউটারকে নিজের ইচ্ছে মতো ব্যাবহার করা যেত না। এরপর মাইক্রোফোন দ্বারা কম্পিউটারে ভয়েস দিতে ব্যাবহার করা হয়ে থাকে।
কম্পিউটারের-বিভিন্ন-অংশের-নাম-ও-ছবি

সাউন্ড স্পিকার

কম্পিউটার ব্যাবহারের সময় বিভিন্ন শব্দ বা সাউন্ড শোনার জন্য সাউন্ড স্পিকার ব্যাবহার করতে হয়। সাউন্ড স্পিকার ব্যাতীত কম্পিউটারের কোনো প্রকার শব্দ শোনা যায় না। সাউন্ড স্পিকারের বিভিন্ন ধরন রয়েছে। দাম ও চাহিদার ভিত্তিতে সাউন্ড স্পিকারের দামও বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে। সাউন্ড স্পিকার এক ধরনের আউটপুট ডিভাইস যার মাধ্যমে কম্পিউটারের বিভিন্ন শব্দ উপভোগ করা যায় এবং কম্পিউটার ব্যাবহারকে আরো আনন্দণীয় করে তুলে।
কম্পিউটারের-বিভিন্ন-অংশের-নাম-ও-ছবি

কম্পিউটার সামগ্রীর তালিকা

কম্পিউটার সামগ্রীর বলতে কম্পিউটার কম্পোনেন্টকে বোঝানো হয়েছে। আমরা এতক্ষন উপরে কম্পিউটারের বিভিন্ন কম্পোনেন্ট নিয়ে আলোচনা করলাম। উক্ত কম্পোনেন্ট গুলোর আবার বিভিন্ন প্রকারভেদ রয়েছে। ব্যাবহারের চাহিদা অনুযায়ী মাদারবোর্ড, প্রসেসর থেকে শুরু করে প্রত্যেক কম্পোনেন্ট এর প্রকারভেদ রয়েছে। যেমনঃ আপনি যদি গেমিং এর জন্য কম্পিউটার বিল্ড করতে চান তাহলে আপনাকে এক ধরনের কম্পোনেন্ট দিয়ে কম্পিউটার বিল্ড করতে হবে এবং আপনি যদি সাধারণ অফিসের কাজের জন্য কম্পিউটার বিল্ড কর‍তে চান তাহলে আরেক ধরনের কম্পোনেন্ট দিয়ে কম্পিউটার বিল্ড করতে হবে। এখন আমরা কম্পিউটার সামগ্রীর তালিকা সম্পর্কে জানবো।

কম্পিউটার প্রধান হার্ডওয়্যার উপাদানসমূহ

  • মাদারবোর্ড (Motherboard)
  • প্রসেসর (CPU - Central Processing Unit)
  • র‍্যাম (RAM - Random Access Memory)
  • রম (ROM - Read-Only Memory)

কম্পিউটার স্টোরেজ

  • হার্ড ড্রাইভ (HDD - Hard Disk Drive)
  • এসএসডি (SSD - Solid State Drive)
  • এনভিএমই এসএসডি (NVMe SSD)
  • পেনড্রাইভ (USB Flash Drive)
  • মেমোরি কার্ড (Memory Card)

পাওয়ার সাপ্লাই

  • পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট (PSU - Power Supply Unit)
  • ইউপিএস (UPS - Uninterruptible Power Supply)

ইনপুট ডিভাইস

  • কীবোর্ড
  • মাউস
  • জয়স্টিক
  • স্ক্যানার
  • ওয়েবক্যাম

আউটপুট ডিভাইস

  • মনিটর
  • স্পিকার
  • হেডফোন 
  • প্রিন্টার

নেটওয়ার্কিং ডিভাইস

  • ওয়াই-ফাই অ্যাডাপ্টার
  • ল্যান কার্ড
  • রাউটার
  • মডেম

অন্যান্য হার্ডওয়্যার সমূহ

  • কুলিং ফ্যান
  • হিটসিঙ্ক
  • কেসিং ইত্যাদি।

কম্পিউটার যন্ত্রাংশের নাম ও দাম

কম্পিউটার যন্ত্রাংশের দাম বাজারের উপর নির্ভর করে কম বেশি হতে থাকে। তাই নির্দিষ্ট করে কম্পিউটার কম্পোনেন্ট গুলোর দাম বলা সম্ভব নয়। তবে আমরা ধারনা নেওয়ার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট দাম বলতে পারি। মূলত এই দামের চাইতে কখনো একটি কম দামে অথবা একটু বেশি দামে কম্পোনেন্ট গুলো বাজারে বিক্রয় হতে পারে। সাধারণত একটি কম্পিউটার বিল্ড করতে যে উপাদান গুলো লাগে তা হলো মাদারবোর্ড, র‍্যাম, স্টোরেজ, মনিটর, গ্রাফিক্স কার্ড, কীবোর্ড, মাউস, কেসিং এই কম্পোনেন্ট গুলো লাগে। তাই আজকে আমরা শুধু এই কম্পোনেন্ট গুলোর দাম জানার চেষ্টা করবো।
ব্যাবহার ও কাজের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার সাধারণত ৩ প্রকার হয়ে থাকে। যথাঃ 
  • অফিস ওয়ার্ক
  • মিডিয়াম ইউজ
  • গেমিং
অফিস ওয়ার্ক পিসি বিল্ডঃ
  • প্রসেসরঃ Intel Core i3 - মূল্য সাধারণত ৫,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
  • মাদারবোর্ডঃ MSI A320M-A Pro Max - মূল্য সাধারণত ৭০০০ থেকে ৭৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
  • র‍্যামঃ PNY XLR8 Gaming 8GB DDR4 3200MHz - মুল্য সাধারণত ২০০০ থেকে ২২০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
  • স্টোরেজঃ HP EX900 M.2 250GB PCIe NVMe SSD - মুল্য সাধারণত ২০০০ থেকে ২১০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
  • কেসিং ও পাওয়ার সাপ্লাইঃ VALUE-TOP VT-M200 কেসিং (ইনবিল্ড ২০০W পাওয়ার সাপ্লাই) - মুল্য সাধারণত ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
মিড রেঞ্জ পিসি বিল্ডঃ
  • প্রসেসরঃ AMD Ryzen 5 3400G - মুল্য সাধারণত ১৪,৫০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
  • মাদারবোর্ডঃ ASUS Prime B450M-A II​ - মুল্য সাধারণত ৭৫০০ থেকে ৮০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
  • র‍্যামঃ  Corsair Vengeance LPX 8GB DDR4 3200MHz - মূল্য সাধারণত ৩৪০০ থেকে ৩৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
  • স্টোরেজঃ Kingston A2000 500GB NVMe SSD - মূল্য সাধারণত ৫৫০০ থেকে ৬০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
  • পাওয়ার সাপ্লাইঃ Antec VP450P Plus 450W - মূল্য সাধারণত ২৮০০ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
  • কেসিংঃ Value-Top VT-M200 Mid Tower - মূল্য সাধারণত ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
গেমিং পিসি বিল্ডঃ
  • প্রসেসরঃ AMD Ryzen 5 3600 - মূল্য সাধারণত ১৪৫০০ থেকে ১৫০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
  • মাদারবোর্ডঃ MSI B450M Mortar Max​ - মূল্য সাধারণত ৭৫০০ থেকে ৮০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
  • র‍্যামঃ Corsair Vengeance LPX DDR4 3200MHz (৮x২=১৬ জিবি) - মূল্য সাধারণত ৬০০০ থেকে ৬২০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
  • স্টোরেজঃ Kingston A2000 500GB NVMe SSD - মূল্য সাধারণত ৬০০০ থেকে ৬২০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
  • গ্রাফিক্স কার্ডঃ NVIDIA GeForce GTX 1660 Super - মূল্য সাধারণত ২০,০০০ থেকে ২২,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
  • পাওয়ার সাপ্লাইঃ Antec VP550P Plus 550W - মূল্য সাধারণত ৩৮০০ থেকে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
  • কেসিংঃ Value-Top VT-M200 Mid Tower - মূল্য সাধারণত ২০০০ থেকে ২২০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

গেমিং এর জন্য কোন প্রসেসর ভালো

গেমিং এর জন্য কোন প্রসেসর ভালো এই প্রশ্নটি প্রায় সকল নতুন গেমার বা যারা গেমিং এর জন্য পিসি বিল্ড করবে তাদের মুখে প্রায় সব সময় শোনা যায় এবং এটি একটি কমন প্রশ্ন। গেমিং এর জন্য কোন প্রসেসর ভালো হবে Intel নাকি AMD? এই প্রশ্নের সহজ উত্তর হচ্ছে আপনার গেমিং এর ধরন অনুযায়ী আপনাকে প্রসেসর সিলেক্ট করতে হবে। উদাহরন সরূপঃ আপনি যদি নতুন গেমিং শুরু করতে চান তাহলে আপনাকে একধরনের প্রসেসর নিতে হবে আবার আপনি যদি ফুল ১০৮০p  বা 4K রেজুলেশনে গেম খেলতে চান তাহলে আরেক ধরনের প্রসেসর সিলেক্ট করতে হবে।

গেমিং এর জন্য প্রসেসর অবশ্যই বেশি থ্রেড ও কোর দেখে নিতে হবে। কারন যত বেশি কোর ও থ্রেড থাকবে গেম তত বেশি হ্যাং বিহীন চলবে। আর আপনি যদি গেমিং এর জন্য Intel এর প্রসেসর নিতে চান তাহলে প্রসেসরের মডেলের লাস্টে K অথবা F মডেল দেখে নিতে হবে। কারন এই মডেলের প্রসেসর গুলো ভারী কাজের জন্য বানানো হয় তাই গেমিং এর ক্ষেত্রে এই প্রসেসর গুলো ভালো পারফোরমেন্স দিয়ে থাকে। এখন আমরা গেমিং এর জন্য প্রসেসর সিলেক্ট করার জন্য কিছু সাজেশন জানবো।

  • বাজেট গেমিংঃ AMD Ryzen 5 5600 অথবা Intel Core i5-12400F
  • মিড রেঞ্জ গেমিংঃ AMD Ryzen 5 7600X অথবা Intel Core i5-13600K
  • হাই ইন্ড গেমিংঃ AMD Ryzen 9 7950X3D অথবা Intel Core i9-13900K

ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কোন কম্পিউটার ভালো হবে

ফ্রিল্যান্সিং এর ধরন অনুযায়ী একেক ধরনের কম্পিউটার ভালো কার্যকারিতা দিয়ে থাকে। যেমনঃ আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য কম্পিউটার নিতে চান তাহলে আপনি কম টাকায় পিসি বিল্ড করে নিতে পারেন কিন্তু আপনি যখন ভিডিও ইডিটিং এর জন্য কম্পিউটার বিল্ড করতে চান তাহলে আপনাকে বেশি টাকা দিয়ে ভালো ভালো কম্পোনেন্ট দিতে পিসি বিল্ড করতে হবে। এখন আমরা জানবো ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কোন কম্পিউটার ভালো হবে এ সম্পর্কে।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য বেস্ট কম্পিউটার বিল্ডঃ ডিজিটাল মার্কেটিং এ ভারি ধরনের কোনো কাজ করতে হয় না। তাই আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করার জন্য মিড রেঞ্জের কম্পিউটার বিল্ড করতে পারেন। উপরে দেওয়া কম্পিউটার যন্ত্রাংশের নাম ও দাম টপিক'স থেকে ধারনা নিয়ে পিসি বিল্ড করলে উক্ত পিসি দিয়ে সহজেই সকল প্রকার ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ করতে পারবেন।

ভিডিও এডিটিং এর জন্য বেস্ট কম্পিউটার বিল্ডঃ ভিডিও এডিটিং করার জন্য একটু ভালো মানের কম্পিউটার প্রয়োজন পড়ে। কারন ভিডিও এডিটিং এ অনেক মাল্টি টাস্কিং এর কাজ করার জন্য ভালো মানের কম্পিউটার না হলে এডিটিং সফটওয়্যার গুলো হ্যাং করে ফলে কাজ করা যায় না। তাই ভিডিও এডিটিং এর জন্য ভালো মানের কম্পিউটারের পাশাপাশি একটি ভালো গ্রাফিক্স কার্ডেরও প্রয়োজন। উপরের দেওয়া কম্পিউটার যন্ত্রাংশের নাম ও দাম টপিক'স থেকে গেমিং পিসি বিল্ডের কম্পোনেন্ট দিয়েও ভিডিও এডিটিং এর জন্য পিসি বিল্ড করতে পারবেন।

ডেস্কটপ পিসির দাম কত টাকা

ডেস্কটপ পিসির দাম সম্পর্কে আমরা উপরে ইতিমধ্যে আলোচনা করে এসেছি। আমরা উপরে কম্পিউটার যন্ত্রাংশের নাম ও দাম টপিক'সে অফিস ওয়ার্কের জন্য পিসি বিল্ড থেকে শুরু করে গেমিং পিসি বিল্ড করার সকল কম্পোনেন্ট এর নাম দাম সহ উল্লেখ করে দেওয়া রয়েছে। আপনি চাইলে সেটি পড়ে ধারনা দিয়ে আপনার প্রয়োজন মতো কম্পোনেন্ট গুলো পরিবর্তন করে পিসি বিল্ড করতে পারেন।

সাধারণ হালকা কাজ করার জন্য Intel Core i3 প্রসেসর দিয়ে ও এর সাথে ৮ জিবি র‍্যাম ব্যাবহার করে সেই সাথে এই বাজেট অনুযায়ী কম্পোনেন্ট নিয়ে পিসি বিল্ড করলে আপনার খরচ পড়তে পারে ২০,০০০ টাকা থেকে ২৫,০০০ টাকার আশেপাশে। এছাড়া আপনি যদি একটু ভালো মানের পিসি বিল্ড করতে চান তাহিলে আপনাকে AMD Ryzen 5 প্রসেসর দিয়ে ১৬ জিবি র‍্যাম নিয়ে ও এর সাথে মিলিয়ে কম্পোনেন্ট নিয়ে পিসি বিল্ড করতে আপনার খরচ পড়বে ৩৫,০০০ টাকা থেকে ৪০,০০০ টাকা পর্যন্ত।

এছাড়া আপনি যদি সম্পূর্ন পিসি বিল্ড গাইড জানতে চান তাহলে উপরের দেওয়া "কম্পিউটার যন্ত্রাংশের নাম ও দাম" টপিক'সটি পড়ে ধারনা নিতে পারেন যে কোন ধরনের পিসি বিল্ড করতে কত টাকা খরচ হবে। আমরা আশা করি যে উপরের দেওয়া তথ্য গুলো পড়লে আপনি ডেস্কটপ পিসি বিল্ড করতে কত টাকা খরচ হয় এ সম্পর্কে সম্পূর্ন ধারনা পেয়ে যাবেন।

কাজের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার কত প্রকার ও কি কি

কম্পিউটারকে কাজের ধরন অনুযায়ী তিন ভাগে ভাগ করা যায়। প্রথমত এনালগ কম্পিউটার যা সাধারণত বিভিন্ন ধরণের পরিমাপের কাজে ব্যবহৃত হয়। এই কম্পিউটার গুলো সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করে এবং তা বিশ্লেষণ করে থাকে। উদাহরন সরুপঃ গাড়ির স্পিডোমিটার বা বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি। এটি মূলত নির্দিষ্ট শারীরিক পরিবর্তনকে পরিমাপ করে থাকে। যেমনঃ তাপমাত্রা, গতি, চাপ, বা বৈদ্যুতিক প্রবাহ পরিমাপে ব্যবহৃত হয়। এটি সংখ্যার পরিবর্তে সরাসরি তরঙ্গ বা সংকেতের মাধ্যমে পরিমাপের হিসেব দিয়ে থাকে।
এরপর আসে ডিজিটাল কম্পিউটার। আমরা সাধারণত দৈনন্দিন জীবনে যে কম্পিউটার ব্যবহার করি সেটিই মূলত ডিজিটাল কম্পিউটার। এই ধরনের কম্পিউটার সংখ্যা বা ডিজিটাল ডেটা ব্যবহার করে কাজ করে। অফিসের কাজ থেকে শুরু করে ইন্টারনেট ব্রাউজিং, গেম খেলা, ভিডিও এডিটিং, এমনকি ব্যাংকিং ও ব্যবসার ক্ষেত্রে ডিজিটাল কম্পিউটারের ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত শূন্য (০) ও এক (১) ভিত্তিক বাইনারি গণনার মাধ্যমে কাজ করে যা তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের জন্য কার্যকরী। ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সুপার কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, পার্সোনাল কম্পিউটার (পিসি), ল্যাপটপ, এমনকি স্মার্টফোনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সবশেষে আসে হাইব্রিড কম্পিউটার। এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সংমিশ্রণ হচ্ছে হাইব্রিড কম্পিউটার। এটি একদিকে যেমন বিভিন্ন পরিমাপ নিতে পারে অন্যদিকে জটিল গণনাও করতে সক্ষম। আধুনিক হাসপাতালগুলোতে রোগীর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহৃত আইসিইউ মনিটরিং সিস্টেম, সামরিক বাহিনীর রাডার সিস্টেম, এমনকি মহাকাশ গবেষণার বিভিন্ন ক্ষেত্রে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। এটি এমন সব জায়গায় ব্যবহৃত হয় যেখানে দ্রুত এবং নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ প্রয়োজন হয়। 

কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের নাম নিয়ে প্রশ্ন ও উত্তর (QNA)

প্রশ্নঃ কম্পিউটারের কয়টি অংশ ও কি কি?
উত্তরঃ কম্পিউটারের বেশ কয়েকটি অংশ থাকে। কম্পিউটারের প্রধান অংশগুলো হলোঃ মাদারবোর্ড, প্রসেসর (CPU), র‍্যাম, রম, পাওয়ার সাপ্লাই, হার্ডড্রাইভ (HDD/SSD), গ্রাফিক্স কার্ড, মনিটর, কীবোর্ড, মাউস, এবং কেসিং ইত্যাদি।

প্রশ্নঃ কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার কোন গুলো?
উত্তরঃ মনিটর, সিপিইউ, মাদারবোর্ড, র‍্যাম, হার্ড ড্রাইভ, পাওয়ার সাপ্লাই, কীবোর্ড, মাউস ইত্যাদির সমন্বযয়ে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার গঠিত হয়।

প্রশ্নঃ মাদারবোর্ড কি ও এর কাজ কি?
উত্তরঃ মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের প্রধান সার্কিট বোর্ড অর্থাৎ কম্পিউটারের যত কম্পোনেন্ট রয়েছে সেই সকল কম্পোনেন্টকে মাদারবোর্ড একত্রে সংযুক্ত করে।

প্রশ্নঃ মাদারবোর্ড কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ মাদারবোর্ড সাধারণত ৩ প্রকার। যথাঃ ATX, Mini ATX, Micro ATX

প্রশ্নঃ প্রসেসর কি ও প্রসেসরের কাজ কি?
উত্তরঃ প্রসেসরকে বলা হয় কম্পিউটারের ব্রেন বা মস্তিষ্ক। প্রসেসরের মাধ্যমে কম্পিউটার তার সকল গণনা, তথ্য সম্পাদন ও সকল প্রকার নির্দেশনা প্রদান করে থাকে। প্রসেসর মূলত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগাযোগ ব্যাবস্থা তৈরি করে কম্পিউটারের সকল কার্যক্রম করে থাকে।

প্রশ্নঃ প্রসেসরকে কি নামে বেশি চেনা হয়ে থাকে?
উত্তরঃ প্রসেসরকে CPU বা Central Processing Unit বলা হয়। 

প্রশ্নঃ পাওয়ার সাপ্লাই এর কাজ কি?
উত্তরঃ পাওয়ার সাপ্লাই মূলত বৈদ্যুতিক শক্তিকে রূপান্তর করে কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ করে কম্পিউটার ব্যাবহারের উপযুক্ত করে তুলে। পাওয়ার সাপ্লাই  বৈদ্যুতিক শক্তি এসি কারেন্টকে ডিসি কারেন্টে রুপান্তর করে কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যারে সঠিক পরিমানে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে।পাওয়ার সাপ্লাই এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ন কাজ হচ্ছে কম্পিউটারে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বা শর্ট সার্কিট হলে পাওয়ার সাপ্লাই এটি প্রতিহিত করে কম্পিউটারকে সুরক্ষিত রাখে।

প্রশ্নঃ র‍্যাম কিভাবে কাজ করে?
উত্তরঃ র‍্যাম হলো এক প্রকার অস্থায়ী মেমরি যা অস্থায়ী ভাবে কম্পিউটারের সকল তথ্য বা ডাটা সংরক্ষণ করে। র‍্যাম বা RAM - Random Access Memory কম্পিউটার চালু হওয়ার সাথে সাথে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম এবং চলমান প্রোগ্রামগুলি র‍্যামে লোড হয় যার ফলে প্রসেসর বা CPU দ্রুত তথ্য সরবরাহ করে কম্পিউটার চালু করে।

প্রশ্নঃ হার্ড ড্রাইভ ও এসএসডি কি?
উত্তরঃ হার্ড ড্রাইভ ও এসএসডি হচ্ছে কম্পিউটারের স্টোরেজ। হার্ড ড্রাইভ ও এসএসডি কম্পিউটারের স্টোরেজ হওয়া সত্যেও এই দুইটি পারফোর্সমেন্ট ও আকৃতির দিক দিয়ে সম্পূর্ন আলাদা। কারন হার্ড ড্রাইভ বা Hard Drive Disk (HDD) কম্পিউটারের স্টোরেজ হলেও এটি মূলত ধীর গতির বা তথ্য সরবরাহ করতে অনেক সময় লাগে অপর দিকে এসএসডি বা  Solid State Drive আকারে অনেক ছোট হওয়া সত্তেও অনেক দ্রুত গতির এবং এসএসডি এর প্রকারভেদ অনুযায়ী এটি হার্ড ড্রাইভ থেকে দ্বিগুণ, তিন গুন অথবা এর চাইতে বেশি শক্তিশালী।

প্রশ্নঃ গ্রাফিক্স কার্ড এর কাজ কি?
উত্তরঃ গ্রাফিক্স কার্ড ব্যাতীত কম্পিউটারের ডিসপ্লে বা মনিটরে কোনো ছবি, ভিডিও এবং 3D গ্রাফিক্স বা কোনো দৃশ্যমান কিছু দেখা যায় না। গ্রাফিক্স কার্ড বা গ্রাফিক্স প্রক্রেসিং ইউনিট (GPU) হলো কম্পিউটারের একটি অপরিহর্য্য উপাদান কম্পিউটারের গ্রাফিক্স এবং ভিজ্যুয়াল ডাটা বা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে থাকে। 

প্রশ্নঃ কম্পিউটারকে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য কোন ইনপুট ডিভাইস ব্যাবহার করা হয়?
উত্তরঃ কিবোর্ড, মাউস ও মাইক্রোফোন দ্বারা কম্পিউটারকে নির্দেশনার কাজে ব্যাবহার করা হয়।

প্রশ্নঃ গেমিং এর জন্য Intel এর কোন প্রসেসর ভালো?
উত্তরঃ গেমিং এর জন্য Intel এর প্রসেসর নিতে চান তাহলে প্রসেসরের মডেলের লাস্টে K অথবা F মডেল দেখে নিতে হবে। 

প্রশ্নঃ বাজেট গেমিং এর জন্য কোন প্রসেসর ভালো?
উত্তরঃ AMD Ryzen 5 5600 অথবা Intel Core i5-12400F

প্রশ্নঃ মিড রেঞ্জ গেমিং এর জন্য কোন প্রসেসর ভালো?
উত্তরঃ AMD Ryzen 5 7600X অথবা Intel Core i5-13600K

প্রশ্নঃ হাই ইন্ড গেমিং এর জন্য কোন প্রসেসর ভালো?
উত্তরঃ AMD Ryzen 9 7950X3D অথবা Intel Core i9-13900K

প্রশ্নঃ কাজের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ কাজের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ৩ প্রকার। যথাঃ এনালগ কম্পিউটার, ডিজিটাল কম্পিউটার ও হাইব্রিড কম্পিউটার।

প্রশ্নঃ দ্রুত এবং নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের জন্য কোন কম্পিউটার ব্যাবহার করা হয়?
উত্তরঃ দ্রুত এবং নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যাবহার করা হয়।

প্রশ্নঃ  কম্পিউটার বিল্ড করার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ কোনটি?
উত্তরঃ প্রসেসর (CPU), র‍্যাম, মাদারবোর্ড, পাওয়ার সাপ্লাই, গ্রাফিক্স কার্ড ও স্টোরেজ ডিভাইস হলো গুরুত্বপূর্ণ অংশ, কারণ এগুলোর মানের ওপর কম্পিউটারের গতি ও পারফরম্যান্স নির্ভর করে।

পরিশেষে - কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের নাম ও ছবি

কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের নাম ও ছবি সম্পর্কে আমরা উপরে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আমরা আশা করি যে আপনি যদি উপরের দেওয়া তথ্য গুলো মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে কম্পিউটার বিল্ড করতে কি কি কম্পোনেন্ট লাগে সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পাশাপাশি কম্পিউটারের কোন যন্ত্রাংশের দাম কত টাকা সে সম্পর্কেও ধারনা নিতে পারবেন। এছাড়াও কোন ধরনের কাজের জন্য কোন কম্পিউটার প্রয়োজন সে সম্পর্কেও বিস্তারিত জানতে পারবেন।

কম্পিউটার হচ্ছে আধুনিক যুগের এক অপরিহায্য অংশ। বর্তমান সময়ে কম্পিউটার ব্যাতীত একটি দিনও কল্পনা করা কঠিন কাজ। আমাদের প্রতিদিনের জীবনে কোনো না কোনো কাজে কম্পিউটার ব্যাবহার করতেই হয়। তাই আমাদের প্রত্যেকের জানা প্রয়োজন কম্পিউটার কোন কোন যন্ত্রাংশ দ্বারা গঠিত হয়। আমাদের দেওয়া উপরের তথ্য গুলো পড়লে কোন কাজের জন্য কোন কম্পিউটার প্রয়োজন এটি বিস্তারিত জানা সহ কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের নাম ও ছবি সহ বিস্তারিত জানতে পারবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

গ্লো আপ ফ্লো এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url